বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় শত্রুতা জেরে গবাদি পশুকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫, ৮:১৬ পিএম
কচুয়ায় শত্রুতা জেরে গবাদি পশুকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

কচুয়ায় পূর্ব শত্রুতা জের ধরে গবাদি পশুকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখমের অভিযোগ।

কচুয়ায় পূর্ব শত্রুতা জের ধরে গবাদি পশুকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

উপজেলা কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের খিড্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনা ভুক্তভোগী ওই গ্রামের মুন্সি বাড়ির জামাল হোসেন গত ২৩ আগস্ট শনিবার কচুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে,ওই গ্রামের আবিদ আলী মুন্সির ছেলে জামাল হোসেনের সাথে একই বাড়ির মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ফারুক হোসেন ও নুরুল আলম গংদের সঙ্গে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ওই শত্রুতার জের ধরে গত ২৩ আগস্ট শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় মোঃ ফারুক হোসেন ও নুরুল ইসলাম পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে জামাল হোসেনের গোয়াল ঘরে প্রবেশ করে অসৎ উদ্দেশ্যে গোয়াল ঘরে থাকা এক লক্ষ ৪২ হাজার টাকার মূল্যের একটি গাভী গরুর ঘাড়, কানে এলোপাথারীভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

বাদীর স্ত্রী হাজেরা বেগম, পুত্রবধু মরিয়ম বেগম দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার করলে বিবাদী ফারুক হোসেন ও নুরুল ইসলাম, রাশেদা বেগম ও রেহেনা বেগম বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ সুযোগমত পেলে বড় ধরনের খুন জখম করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

Model Hospital

অভিযোগে আরো উল্লেখ করে বাদী জামাল হোসেন বলেন,বিবাদীদের সাথে জমি জমা নিয়ে আমার পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। ওই জের ধরে আমার পরিবার পরিজনদের ক্ষতি সাধণ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে বিবাদী ফারুক হোসেন ও নুরুল আলম গংরা ।

তারা আমাকে ও আমার পরিবার পরিজনদেরকে দেখলেই অশ্লীল ভাষায় গালমন্দসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে থাকেন। বিবাদী ফারুক হোসেন ইতিপূর্বে কয়েক বার আমাকে মারধর করার জন্য দা, লাঠিসোঠা বটি নিয়ে নিয়ে দৌড়ে আসে। বিবাদীদের অত্যাচারে আমার পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ীতে বসবাস করতে কষ্টকর। আমি উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ন্যায় বিচার দাবি করছি। বিবাদী ফারুক হোসেন ও নুরুল আলম বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলে কাউকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি ।

কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আজিজুল ইসলাম জানান, ভুক্তোভোগী পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা গিয়েছে। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।