কারাগারের শিকল ভেঙে রাজপথে, হাজীগঞ্জে ছাত্রনেতা শাখাওয়াত সরকারের লড়াই
হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড়ের কৃতি সন্তান, ছাত্রনেতা শাখাওয়াত সরকার বিএনপি’র ডাকা প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রামে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তোলে তরুণদের অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। ছাত্রদলের দুর্দিনে রাজপথে দণ্ডায়মান থেকে শাখাওয়াত সরকার নিজেকে হাজীগঞ্জ তথা চাঁদপুর রাজনীতিতে সাহসী নেতৃত্বের পরিচয় দিয়েছেন।

হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের সরকার বাড়ির এই ছাত্র নেতা হাজীগঞ্জ পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক ১ নং যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন । ছাত্ররাজনীতির মাঠে থেকে তিনি একের পর এক গণআন্দোলনে অংশ নেন। তার বিরুদ্ধে মোট ১৮টি রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলাগুলোর জন্য তার দু’বার কারাভরণ করতে হয়— একবার টানা ২৬ দিন এবং আরেকবার ২৯ দিন । মামলার খরচ চালাতে গিয়ে তিনি অর্থনৈতিকভাবে হয়েছেন নিঃস্ব।

কঠিন সময়েও ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামে অবিচল থেকে হাজীগঞ্জে শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখেন শাখাওয়াত সরকার। ফলে তাকে ছাত্রদলের কর্মীরা “ছাত্রদের আইকন” হিসেবে অভিহিত করছে। তাই আগামী দিনে ছাত্রদলের নেতৃত্বে তাকে দেখতে চান ছাত্র নেতারা।

বর্তমানে তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের ছাত্রদল আরও শক্তিশালী হবে।

স্থানীয় রাজনীতিবিদরা বলছেন, শাখাওয়াত সরকার শুধু একজন ছাত্রনেতাই নন, বরং তরুণ সমাজকে আন্দোলন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের পথে উদ্বুদ্ধ করার মতো এক অনন্য প্রতীক।
তার মূল ভূমিকা ছিল বিগত দিনে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে গড়া প্রত্যেকটা আন্দোলনে আঞ্চলিক মহাসড়কের এলাকায় অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। আর এই কাজ করতে গিয়ে তিনি বছরের পর বছর নিজ ঘরে ঘুমাতে পারেন না। পুলিশ আর তৎকালীন ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে।





