বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ড্রিমপাথ গ্লোবাল-এর উচ্চ শিক্ষার অপরিহার্যতা বিষয়ক সেমিনার 

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ১:৫৯ এম
চাঁদপুরে ড্রিমপাথ গ্লোবাল-এর উচ্চ শিক্ষার অপরিহার্যতা বিষয়ক সেমিনার 

চাঁদপুরে ড্রিমপাথ গ্লোবাল-এর উচ্চ শিক্ষার অপরিহার্যতা বিষয়ক সেমিনারে প্রশিক্ষকের সাথে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।

“জাতির টেকসই অগ্রগতী এবং প্রবৃদ্ধিতে গবেষনা ভিত্তিক উচ্চ শিক্ষার অপরিহার্যতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদপুর শহরের হাজী মহসীন রোডস্থ রেডচিলি কনভেনশন সেন্টারে ড্রিমপাথ গ্লোবাল-এর আয়োজনে গবেষনামূলক উচ্চ শিক্ষা এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক এই  সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, ড্রিমপাথ গ্লোবাল-এর সিইও এহছানুল হক খান শুভ।
তিনি সেমিনারে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,আমাদের দেশে উচ্চ শিক্ষার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে একথা যেমন সত্য, একইভাবে গবেষনামূলক শিক্ষায় সুযোগ ততটাই কম। বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিক্স এর তথ্য মতে
বাংলাদেশে এই মুহুর্তে পিএইচডি ডিগ্রিধারী গবেষক এর সংখ্য ৫১,৭০৪ জন। যা কিনা পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের তুলনায় ১০ ভাগের এক ভাগও নয়। এর একটি বড় কারণ হতে পারে গবষণামূলক শিক্ষায় পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং আর্থিক অনুদানের অভাব।
এছাড়াও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে চাকুরী মুখী সিলেবাস এর গন্ডিতে বেঁধে ফেলা এর একটি বড় কারণ।
তিনি আরো বলেন, সাধারন শিক্ষা হয়তো আমাদের চাকুরীর সুযোগ করে জীবিকা নির্বাহ করতে সাহায্য করবে কিন্তু জাতির টেকসই অগ্রগতী এবং প্রবৃদ্ধিতে গবেষনা মূলক শিক্ষার কোন ব্যাতিক্রম নেই।
চাঁদপুরে ড্রিমপাথ গ্লোবাল-এর উচ্চ শিক্ষার অপরিহার্যতা বিষয়ক সেমিনারে প্রশিক্ষকের সাথে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।
আমাদের দেশ প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর, মানব সম্পদের প্রাচুর্যতা এবং শ্রমমুখী জীবিকা ধারনের মতো সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও, তৃতীয় বিশ্বের স্বল্পোন্নত রাষ্ট্রের কাতারে পড়ে আছে, শুধু এই গুনগুলো কে বাস্তবে ব্যবহার উপযোগী করতে না পারার কারনে। যদি গবেষনালব্ধ শিক্ষা ব্যবস্থা থাকে এবং অনেক গবেষক তৈরী করা যায় তাহলেই শুধুমাত্র আমাদের দেশ তার সকল গুনাবলী বাস্তবে ব্যবহার করে দেশকে একটি সমৃদ্ধশীল এবং আদর্শ রাষ্ট্রে পরিনত করতে পারবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ড্রিমপাথ গ্লোবাল চাঁদপুর শাখার হায়ার স্ট্যাডি প্রমোশন অফিসার মোঃ মাহফুজ আহমেদ, সিনিয়র প্রশিক্ষক ডিজিটাল  পোস্ট ই-সেন্টার ৩৬০১ আল আমিনসহ অন্যান্যরা।
উল্লেখ্য : বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীদের গবেষালব্ধ উচ্চ শিক্ষায় আনুষাঙ্গিক সকল বিষয়ে সহযোগিতার জন্য নিরলস ভাবে বিগত ১০ বছর ধরে সেবা দিয়ে যাচ্ছে ড্রিমপাথ গ্লোবাল নামের এই প্রতিষ্ঠানটি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।