বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে আল-আরাফাহ পরিবহনের ভাড়া কমানোয় যাত্রী খুশি, মালিকদের দ্বন্দ্বে ভোগান্তি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ২:০৪ এম
শাহরাস্তিতে আল-আরাফাহ পরিবহনের ভাড়া কমানোয় যাত্রী খুশি, মালিকদের দ্বন্দ্বে ভোগান্তি
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে আল-আরাফাহ পরিবহনের বাসভাড়া কমানোয় যাত্রীরা স্বস্তি পেলেও পরিবহন মালিকদের দ্বন্দ্বের কারণে গত বুধবার দিনভর চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আল-আরাফাহ পরিবহন সম্প্রতি ঢাকা-চাঁদপুর রুটে ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৫০ টাকা নির্ধারণ করে। এতে যাত্রীরা সন্তুষ্ট হলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান পদ্মা এক্সক্লুসিভ ক্ষুব্ধ হয়। তাদের অভিযোগ, আল-আরাফাহর রুট পারমিটে অনিয়ম রয়েছে। তবে আল-আরাফাহ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের সব কাগজপত্র বৈধ এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের স্বার্থেই ভাড়া কমানো হয়েছে।
এ নিয়ে বুধবার সকালে পদ্মা এক্সক্লুসিভ পরিবহনের শ্রমিকরা শাহরাস্তি গেইট এলাকায় বিক্ষোভে নামেন।
একপর্যায়ে তারা আল-আরাফাহর একটি বাস আটকে দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর ফলে মহাসড়কে বাস চলাচল ব্যাহত হয় এবং যাত্রীরা বিপাকে পড়েন। সংঘর্ষে আল-আরাফাহ পরিবহনের চালক সানাউল্লাহ আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজিয়া হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এ সময় শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল বাসার পিপিএম বার পুলিশ ফোর্সসহ সেখানে অবস্থান নেন।
চাঁদপুর জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি ফেরদৌস আলম বাবু পরিবহন সংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে আলোচনার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে আল-আরাফাহ পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার রুবেল হোসেন জানান, “যাত্রীদের সুবিধার জন্যই আমরা ভাড়া কমিয়েছি। প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ অযথা আমাদের হয়রানি করছে।”
স্থানীয় যাত্রী মিজানুর রহমান বলেন, “যে পরিবহন ভালো সেবা দেবে, যাত্রীরা তাকেই বেছে নেবে। মালিকদের দ্বন্দ্বে যাত্রীদের হয়রানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
প্রসঙ্গত, আল-আরাফাহ পরিবহন গত ১৫ বছর ধরে শাহরাস্তি থেকে ঢাকা রুটে নিয়মিত যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে। আধুনিক বাস, এসি সার্ভিস চালু করে তারা ইতোমধ্যে যাত্রীদের আস্থা অর্জন করেছে।
ওসি আবুল বাসার জানান, “যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।” উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিয়া হোসেন বলেন, “রুট পারমিটসহ সব কাগজপত্র যাচাই করা হবে। কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।