বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:১২ পিএম
কচুয়ায় সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা

কচুয়ায় সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির লিমিটেডের উদ্যোগে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও শুভাকাঙক্ষীদের সাথে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন, ‘‘আস্থা গ্রুপের’’ চেয়ারম্যান মো.ওবায়দুল আনসারী ও সিইও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার জন্য অন্যতম প্রতিষ্ঠান ‘‘আস্থা গ্রুপের’’ ক্ষুদ্র ঋণের প্রতিষ্ঠান সাচার শ্রমজীবি সমবায় সমিতির লিমিটেডের উদ্যোগে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও শুভাকাঙক্ষীদের সাথে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সাচার বাজার ও গুলবাহার বাজারে যৌথ শাখায় মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

আস্থা গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিইও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সমাজসেবক মোঃ কামাল হোসেনের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, আস্থা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ ওবায়দুল আনসারী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আস্থা গ্রুপের ডাইরেক্টর ইঞ্জি.মঈনুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক সারওয়ার জাহান, সাচার ডিগ্রি কলেজর অধ্যক্ষ অ্যাড. মোহাম্মদ মহসীন কবীর,সাচার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন মোল্লা, সাচার বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ জিয়া মজুমদার, গুলবাহার আশেক আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মোঃ সেলিম, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ আলী মাস্টার প্রমুখ। এসময় সাচার শ্রমজীবী সমবায় সমিতির বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ,প্রতিষ্ঠানের শুভাকাঙ্ক্ষী ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

এসময় আস্থা গ্রুপের কর্মকর্তারা বলেন, ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক এনজিও সংস্থা ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান সাচার শ্রমজীবী সমবায় সমিতি। বর্তমানে বাংলাদেশের ১ থেকে ৩টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাচার শ্রমজীবী সমবায় সমিতি স্থান করে নিয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত আপনাদের সার্বিক সহযোগিতায় ও আমাদের প্রচেষ্টায় আজকে এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের একটি সুনামধন্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্জন করেছে। এই ক্ষুদ্রঋণের প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণরূপে সুদ মুক্ত।

বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত ও সাবলম্বী করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমাদের মূল লক্ষ্য। আমরা চাই যারা ঋণ নিচ্ছেন তারা এই টাকার সঠিক ব্যবহার করে স্বাবলম্বী হবেন। আপনারা স্বাবলম্বী হলেই আমরা সার্থক। আমরা আপনাদেরকে নিয়ে সমাজের উন্নয়ন কাজ করতে এসেছি, ইনশাল্লাহ আপনার আমাদেরকে সকলে সহযোগিতা করবেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।