বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে কল্যাণ ট্রাস্টের চেক পেয়েছেন ১৯ সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৯ পিএম
চাঁদপুরে কল্যাণ ট্রাস্টের চেক পেয়েছেন ১৯ সাংবাদিক
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চাঁদপুর জেলার ১৯ জন সাংবাদিকের মাঝে প্রায় ১৩ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

তিনি বক্তব্যে বলেন, কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে দেশের ৬৪ জেলার ৩২০জন সাংবাদিককে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হচ্ছে। প্রতি ৩ মাস পরপর এই অনুদান দেয়া হয়। চাঁদপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য আছে। অধিকাংশরাই পেশাদার সাংবাদিক। যাচাই-বাছাইতে স্বচ্ছতা থাকায় ১৯ টি আবেদন গ্রহণ করা হয়।

Model Hospital

তিনি বলেন, আমার কাছে দল-মত কোন কিছুই নেই, যিনি একজন প্রকৃত সাংবাদিক এবং অসুস্থ তাকে অনুদান থেকে কোনভাবেই বঞ্চিত করছি না। কারণ এই অর্থ রাষ্ট্রের। এর আগে একটি দলের সাংবাদিককে সব সময় বঞ্চিত করা হয়েছে।

এই সাংবাদিক নেতা বলেন, আমরা সবসময় চেষ্টা করছি বঞ্চিত ও অসুস্থ সাংবাদিকদের পাশে থাকার জন্য। তারপরও কেউ কেউ আমাদের বিষয়ে বিভিন্ন কথা বলার চেষ্টা করেন।

তিনি সারাদেশে সাংবাদিকদের নানা সমস্যা এবং কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সহায়তার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, যারা সিনিয়র এবং বয়স্ক সাংবাদিক তাদের জন্য মাসিক ভাতা ব্যবস্থা করার জন্যই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে।
সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসিন উদ্দিন।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার (এসপি) মুহম্মদ আব্দুর রকিব, চাঁদপুর পৌর প্রশাসক গোলাম জাকারিয়া, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য শাহীন হাসনাত, জেলা তথ্য অফিসার তপন ব্যাপারী ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি রহিম বাদশা।

আরো বক্তব্য দেন সাংবাদিক জালাল চৌধুরী, মুনীর চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন মিলন, সোহেল রুশদী, আলম পলাশ, লক্ষ্মন চন্দ্র সূত্রধর, মো. শওকত আলী, আবদুল আউয়াল রুবেল, চৌধুরী ইয়াছিন ইকরাম, কেএম সালাহউদ্দিন।

অনুদানের চেক পেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেন সাংবাদিক মির্জা জাকির, আল ইমরান শোভন, হাসান মাহমুদ, জিসান আহমেদ নান্নু, এমরান হোসেন রাজন ও মিজানুর রহমান লিটন।

অনুদান প্রাপ্ত অসুস্থ ও দুস্থ সাংবাদিকরা সাংবাদিক কল্যাণ রাষ্ট্রের এই আর্থিক সহযোগিতা পেয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।

অনুষ্ঠানে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক ও বর্তমান নেতা এবং জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।