বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়াসহ ৩ উপজেলার সীমান্তে চলছে যত অনৈতিক কর্মকান্ড

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৮ পিএম
কচুয়াসহ ৩ উপজেলার সীমান্তে চলছে যত অনৈতিক কর্মকান্ড

কচুয়া,চান্দিনা ও বরুড়া ৩ উপজেলার সীমান্তের কচুয়ার হারিছাইল,বরুড়ার কৃঞ্চপুর ও চান্দিনার কৈইলানসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের যুবকদের সমন্বয়ে চলছে,মাদকের রাম রাজত্ব,চুরি,ডাকাতি ও বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড,শান্তিতে নেই ওই গ্রামের সাধারন অধিবাসিগণ।

সন্ধা ঘনিয়ে আসলে এসব ঘটনার আতংকে সারা রাত জেগে থাকতে হয় অধিবাসিদের। ৩ উপজেলার সীমান্তেবর্তী এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা তেমন ভালো না হওয়ায় এই অপরাধ কর্মকান্ড গুলো আইন শৃংখলা বাহিনীর নজরে আসছে না।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার হারিচাইল সীমান্তবর্তী তিতার বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার দু’ পাশে বসে সন্ধার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উঠতি বয়সের যুবকরা মাদক বিক্রি ও সেবন কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ কর্মকান্ড গুলো নির্ভয়ে চালিয়ে আসছে ৩ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার কতিপয় যুবকরা।

মাদক বিক্রি ও সেবনসহ,চুরি,ডাকাতি ও বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জীবনের নিরাপত্তার জন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আগমনের খবর শুনলে অপরাধীরা এক উপজেলা থেকে অন্য উপজেলা গিয়ে আশ্রয় নেয়। সরেজমিনে গিয়ে তাদের ও অপরাধীদের নাম ঠিকানা না বলা শর্তে এলাকার পথচারীরা এইসব তথ্য জানান।

Model Hospital

বরুড়া উপজেলার কৃঞ্চপুর গ্রামের বাসিন্দা মাও.কবির হোসেন জানান, সম্প্রতি তার বসত ঘরের সকল মালামাল চুরে করে কচুয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম হারিছাইল এর তিতার বাড়িতে সকল মালামাল গুলো রাখার খবর পেয়েও ভয়ে খোজ নিতে পারছেন না।

সমম্বয় করে ৩ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবী করছেন ভুক্তভোগি ও এলাকাবাসির।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।