বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৬ পিএম
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাখাওয়াত জামিল সৈকতের পদোন্নতি হওয়ায় বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাখাওয়াত জামিল সৈকতের পদোন্নতি হওয়ায় বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন।

রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলা পরিষদ হল রুমে এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিদায় সংবর্ধনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত বলেন, প্রতিটি মানুষ ভালো থাকুক। আমার কর্মজীবনের সেরা সঞ্চয় আপনাদের ভালোবাসা। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে বদলিজনিত কারণে কোনো জেলায় বা উপজেলায় স্থায়ী হওয়ার সুযোগ নেই। উপজেলায় কর্মরত অবস্থায় সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অনেক রকমের সহযোগিতা আমি পেয়েছি। কাজ আদায় করার জন্য হয়তো কারও বিরাগভাজন হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় ইতিবাচক আবার কখনো নেতিবাচকভাবে মানুষকে উপস্থাপন করা হয়। খোলা চোখে সব কিছু দেখা যায় না। চোখের আড়ালেও অনেক কিছু থাকে। তবে নিজের অজান্তেও যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি, কারও প্রতি অন্যায় করে থাকি তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। হাতিয়ার মানুষ খুব আন্তরিক। আমি কোনোদিন তাদের ভুলতে পারব না।

Model Hospital

হামানকদ্দি পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর সভাপতিত্বে এ সময় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন খেরুদিয়া স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম, কামরাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মোহাম্মদ সাইফুর রহমান, প্রধান শিক্ষক কামরুল হোসেন, খোরশেদ আলম, তরপুরচন্ডী জিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন খন্দকার, ছোট সুন্দর এ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুনুর রশিদ, আওলাদ হোসেন, ইমাম হোসেন, মোঃ শফিউল্লাহ, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মোঃ ইলিয়াস, মনির আহমেদ সিদ্দিকী, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।

এ সময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিদায়ী অতিথি সম্পর্কে বলেন, পেশাগত ক্ষেত্রে বিদায়ী অতিথি ছিলেন অত্যন্ত দক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তা। বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সাথে তিনার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সুপরিকল্পিত কার্যক্রমের জন্য সদর উপজেলাবাসী সব সময়ই তাকে স্মরণ রাখবে। আমরা তিনার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি এবং সুন্দর ভবিষ্যত, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।