বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সদরের মনিহার গ্রামে এক রাতে ২০টি গরু চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ পিএম
চাঁদপুর সদরের মনিহার গ্রামে এক রাতে ২০টি গরু চুরি
মাত্র দেড় ঘণ্টা সময়ে দুটি পিকআপ ট্রাকে করে ২০টি গরু নিয়ে গেছে চোরের দল। এতে করে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে মমিনুল হক নামের এক খামারির। সর্বশান্ত হওয়া এ  খামারটি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের মনিহার মেহের বাড়ির সামনে। খামারি মমিনুল হক এ বাড়ির মৃত আ. খালেকের ছেলে। ঘটনাটি গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) গভীর রাতের।
ক্ষতিগ্রস্ত মমিনুল হক জানান, মনিহার যাওয়ার প্রধান সড়কটি হাজীগঞ্জের বাকিলা গরুর বাজারের অংশ।
বাকিলা গরুর বাজারের দক্ষিণে বাকিলা ফাজিল মাদরাসার পিছনে হক ফার্মা। হক ফার্মার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় খালি দুটি পিকআপ ট্রাক সিসি ক্যামেরার সামনে দিয়ে রাত ৩টা ২৫ মিনিটে মনিহার গ্রামের দিকে ঢুকে। সেই একই দুটি পিকআপ ট্রাক গরুবোঝাই করে রাত পৌনে ৫টায় হক ফার্মার সিসি ক্যমেরার সামনে দিয়ে বাকিলা গরুর বাজার হয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের দিকে চলে যায়।
মমিনুল হক আরো জানান, খামারে  দুধের গরু, ষাড় গরু আর বাছুর মিলিয়ে ২৬টি গরু ছিলো। এর মধ্যে চোরেরা ২০টি গরু চুরি করে। তার মধ্যে খামার থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে সোমবার ভোরে একটি ষাড় পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে চোরের দল ২টি ষাড়, ৫টি বাছুর আর ১২টি দুধের গাভী নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক মূল্য ২০ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় একইদিন অজ্ঞাতদের আসামী করে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত মমিনুল হক।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বাহার মিয়া জানান, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে, আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।