শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় গ্রামীণ পাকা সড়কগুলো বিলীন হচ্ছে পুকুরে

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:০২ পিএম
কচুয়ায় গ্রামীণ পাকা সড়কগুলো বিলীন হচ্ছে পুকুরে

কচুয়ায় শংকরপুর গ্রামে গ্রামীন রাস্তা ভেঙ্গে পুকুড়ে পড়ে যাচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে পথচারীরা।

কচুয়ায় সরকারের কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা রাস্তাকে ব্যবহার করা হচ্ছে পুকুরের পাড় হিসাবে। রাস্তাগুলো সংস্কারের বছর না যেতেই রাস্তা ধ্বসে পড়ছে পুকুরের পানিতে।

উপজেলার গ্রামীণ জনপদের পাকা রাস্তাগুলো এভাবেই একের পর এক পুকুরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। উপজেলার ১৫০টি রাস্তার প্রায় ২ শতাধিক স্থান রাস্তা পুকুরে পড়ে মানুষ চলাচলের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা রয়েছে।

সংশ্নিষ্টদের অবহেলা ও নজরদারির অভাবে প্রতি বছর এসব রাস্তার ভাঙন রোধে সরকারের বিপুল পরিমাণ টাকা ব্যয় হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা পাথৈর ইউনিয়নের বারৈয়ারা বাজার থেকে মধুপুর, বিতারা ইউনিয়নের উভয়পাড়া থেকে নাহাড়া মার্কেট,পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দহুলিয়া থেকে এনায়েতপুর, কাদলা ইউনিয়নের মনপুরা বাতাবাড়িয়া থেকে বাচাইয়া,দেবিপুর থেকে কাদলাসহ আঞ্চলিক সড়কের একাধিক স্থানগুলোতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পরিবহন ও পথচারীদের।

Model Hospital

স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন, রাস্তাকে পুকুড়ের পাড় হিসেবে ব্যবহার করে মাছ চাষ করায় রাস্তাগুলো ভেঙ্গে পড়ছে। একসময় ভাঙতে ভাঙতে পুরো রাস্তা বিলীন হয়ে যায় পুকুরে। এতে পথচারীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। বছরের পর বছর এসব ভাঙা রাস্তাগুলো আর মেরামত হয় না। রাস্তার ধারে পুকুর খনন করলেও কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

এদিকে গ্রামীণ রাস্তার পাশে পুকুর খননে সতর্ক করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্রে বলা হয়েছে, রাস্তার ধার ঘেঁষে পুকুর বা খাল বা কূপ অথবা সেচ নালা তৈরি করলে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে নিজ খরচে সুরক্ষা ঢাল নির্মাণ করতে হবে।

এক্ষেত্রে কোনো অসুবিধার সৃষ্টি হলে কর্তৃপক্ষ বিল্ডিং কন্সট্রাকশন আইনের ৩ নং ধারা অনুসারে আইনের ৩ ধারার (৩) উপধারা অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে তা অপসারণ, খনন বা পুনঃখনন, বন্ধ বা ভরাট করার আদেশ দিতে পারেন।এছাড়াও দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪৩১ অনুযায়ী সরকারি রাস্তার ক্ষতিসাধন ফৌজদারি দণ্ডনীয় অপরাধ। এই আইনে ৫ বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলীম লিটন বলেন, আমরা সরকারি টাকায় রাস্তাগুলো তৈরি করি। অথচ সেই রাস্তা কিছুদিন না যেতেই পুকুরে ধসে পড়ে। পুকুর মালিকদের সচেতনতা প্রয়োজন। ব্যক্তিগত পুকুরের জন্য সরকারি সম্পদ নষ্ট করা আইনগত অপরাধ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital