বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিন পৌর আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কমিটি অনুমোদন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৪৪ পিএম
মতলব দক্ষিন পৌর আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কমিটি অনুমোদন

মতলব দক্ষিণ পৌর আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ অক্টোবর) চাঁদপুর প্রফেসর পাড়ায় এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সাধারন সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জিয়া মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ক্রীড়াবিদ মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র নির্বাহী সদস্য ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোঃ শহিদ উল্যাহ চৌধুরী।

Model Hospital

কমিটির যৌথ সুপারিশ করেন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি ও জাসাস চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক মোঃ হারুন অর রশিদ জাকির, সাধারন সম্পাদক মোঃ শহিদ উল্যাহ চৌধুরী, কমিটির যাচাই বাচাই করে কমিটি অনুমোদন করেন, চাঁদপুর জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ক্রীড়াবিদ মোঃ আবুল কালাম আজাদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ হারুর অর রশিদ জাকির, ডাঃ মোঃ সেলিম দিদার, কাউন্সিলার ও সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ মাঈনুল ইসলাম পাটওয়ারী, মোঃ মেজবাহ উদ্দিন দুলাল, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার সহ সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা মহিলা দলের সাবেক দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক ও ক্রীড়াবিদ আমেনা আক্তার হেলেন। সহ দপ্তর সম্পাদক দিপা বেগম, প্রচার সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, সাবেক ফুটবলার ও আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ চাঁদপুর জেলা শাখার ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং ক্রীড়াবিদ টুটুল চক্রবর্তী, সিনিয়র নির্বাহী সদস্য, খাদিজা তালুকদার, নাজমা বেগম, সুমাইয়া আক্তার লামিয়া, মুসফিকা পাটওয়ারী সহ আরো অন্যান্য নেত্রীবৃন্দ।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা হলেন: আহবায়ক, মোঃ মনির হোসেন ফরাজী, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, মোঃ জহিরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক, সেলিম প্রধান, ফাতেমা আক্তার নিলা, শাকিল পাটওয়ারী, মোঃ মোক্তার হোসেন, মোঃ শফিকুল ইসলাম, শাকিল মুস্তাফিজ, সদস্য সচিব, রুহল আমিন মিন্টু, নির্বাহী সদস্য, মোল্লাঃ মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ আবুল কালাম মিয়াজী, মোঃ সাকিল আহম্মেদ, মোঃ সলেমান হোসাইন, মোঃ ইয়াছিন আরাফাত, মোঃ আবুল বাসার, মোঃ ইসমাইল হোসেন সাদ্দাম, মোঃ মুজাম্মেল হোসেন, মোঃ সাদ্দাম হোসেন, মোঃ আলমাস, শ্রীঃ সুদর্শন দাস, মোঃ পারভেজ, মোঃ নবির হোসেন, মোঃ তারেক চৌধুরী, মোঃ ফজলুল হক, কাউছার চৌধুরী।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।