বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রাষ্ট্র মেরামতের বার্তা নিয়ে ফরিদগঞ্জে হুমায়ুন কবির বেপারীর গণসংযোগ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:০৩ পিএম
রাষ্ট্র মেরামতের বার্তা নিয়ে ফরিদগঞ্জে হুমায়ুন কবির বেপারীর গণসংযোগ
‘রাষ্ট্র মেরামতে’র বার্তা নিয়ে মাঠে নেমেছেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য  মো. হুমায়ুন কবির বেপারী।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘৩১ দফা’-এর পক্ষে ফরিদগঞ্জ-৪ (চাঁদপুর) আসনে তাঁর ব্যাপক গণসংযোগ এবং লিফলেট বিতরণে তৈরি হয়েছে গণজোয়ার। এই প্রচারণায় কেবল কর্মসূচির বিস্তার নয়, বরং ভোটাধিকার হারানো মানুষের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে।
​মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সাংস্কৃতিক দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক ঝলমলে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে এই প্রচার কার্যক্রমের সূচনা হয়।
শোভাযাত্রাটি এলাকার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এরপর বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী নিয়ে ১নং বালীথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের চান্দ্রাবাজার ও আশেপাশের এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যান।
​৩১ দফা, সাধারণ মানুষের হাতে হাতে ​গণসংযোগ চলাকালে নেতা-কর্মীরা বাজারের ব্যবসায়ী, পথচারী, ছাত্র, যুবক—সকলের হাতে হাতে ৩১ দফার মূল সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। তাঁরা স্লোগান দেন, “গণতন্ত্র মুক্তি পাক, ভোটাধিকার ফিরে আসুক।” তাঁদের কণ্ঠে ছিল জনগণের প্রতি জোরালো আহ্বান: দেশের এই সংকটকালে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন। কর্মসূচির কারণে চান্দ্রাবাজার এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
​মো. হুমায়ুন কবির বেপারী গণসংযোগের সময় ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে নেতা-কর্মী ও জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, “আজকে এই ৩১ দফা কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি সুশাসন, আইনের শাসন এবং জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার সনদ।” তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “বিএনপি সব সময় জনগণের অধিকারের পক্ষে ছিল। আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষ এই দাবির গুরুত্ব উপলব্ধি করে রাজপথে নামবে। জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে বিএনপি বদ্ধপরিকর।”
​কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাংস্কৃতিক দলের আহবায়ক আবুল হোসেন পাটওয়ারী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নজির আলী খান,  ১নং ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি  জুয়েল পাটওয়ারী, যুগ্ম আহবায়ক শাহ-আলম কুদ্দুস মাস্টার,১ নং ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ওবায়দুল্লাহ খান, বিএনপি নেতা মূসা গাজী, ইমাম হোসেন গাজী, ইব্রাহীম মিজি, মাসুদ গাজী, কামাল বেপারী, শরীফ হোসেন বেপারী সহ স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।
তাঁরা জানান, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার এই সংগ্রাম চলবে। মো. হুমায়ুন কবির বেপারীর এই গণসংযোগ কর্মসূচি ফরিদগঞ্জের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে এক নতুন প্রেরণা ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।