বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে অনলাইন ইলিশ বিক্রির নিবন্ধন পেলো ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’

মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ৮:১৭ পিএম
চাঁদপুরে অনলাইন ইলিশ বিক্রির নিবন্ধন পেলো ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর— এই নামেই দেশ-বিদেশে পরিচিত এই জেলা। কিন্তু চাঁদপুরের ইলিশের সুনামকে পুঁজি করে কিছু অসাধু চক্র অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল। চাঁদপুরের নাম ব্যবহার করে ইলিশ বিক্রির নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অসংখ্য অভিযোগের প্রেক্ষিতে অবশেষে ব্যবস্থা নিলো জেলা প্রশাসন।

এই প্রতারণা রোধে অনলাইন ইলিশ বিক্রেতাদের বৈধতা যাচাই ও নিবন্ধনের উদ্যোগ নেয় চাঁদপুর জেলা প্রশাসন। যাচাই-বাছাই শেষে বৈধভাবে অনলাইনে ইলিশ বিক্রির অনুমোদন পেয়েছে মোট সাতটি প্রতিষ্ঠান।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর ) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় চাঁদপুর জেলার অনলাইন ইলিশ ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোহসিন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি রহিম বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক কাদের পলাশ এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

Model Hospital

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন।

নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রথমেই স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’, যার উদ্যোক্তা অনলাইন ব্যবসায়ী মোঃ খোকন পাটোয়ারী।

জেলা প্রশাসক মোহসিন উদ্দিন বলেন, “চাঁদপুরের নাম ব্যবহার করে যেন কেউ প্রতারণা করতে না পারে, সে জন্য আমরা এই নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু করেছি। এখন থেকে শুধুমাত্র নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানই অনলাইনে ইলিশ বিক্রি করতে পারবে।”

প্রথম পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন উদ্যোক্তাকে নিবন্ধন সনদ প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতে অনলাইনে ইলিশ কেনাবেচায় ক্রেতারা যেন প্রতারণার শিকার না হন, সে জন্য শুধুমাত্র এই নিবন্ধিত উদ্যোক্তাদের কাছ থেকেই ইলিশ কেনা নিরাপদ বিবেচিত হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।