বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় জমিজমা বিরোধের জের ধরে হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:৩৫ পিএম
কচুয়ায় জমিজমা বিরোধের জের ধরে হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

কচুয়া উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের নাহারা গ্রামে জমিজমা বিরোধের জের ধরে খোরশিদা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধ মহিলার উপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বুধবার সকালে ওই গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী আয়েত আলীর স্ত্রী খোরশিদা বেগম বাদী হয়ে ৭ জনকে বিবাদী করে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে খোরশিদা বেগম জানান, আমার ভাশুর মৃত রোস্তম আলী ছেলে ইলিয়াছ,সাব্বির হোসেন গংদের সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জমিজমা নিয়ে চাঁদপুর আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

গত বুধবার ৮ অক্টোবর সকাল ১০টায় বিবাদী ইলিয়াছ মোল্লা, সাব্বির মোল্লা, আব্দুল হাই, ফয়সাল, মহিন উদ্দিন,ফাতেমা বেগম ও হাজেরা বেগমসহ দলবল মিলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার বসতবাড়িতে এসে বাড়িঘর ভাঙচুর শুরু করেন। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে এলোপাথারি ভাবে কিলঘুষি লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করেন। আমার ছেলের বউ আমাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে আসলে তাহার পড়নের কাপড় চোপড় টানা হেঁচড়া করিয়া শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে তার সাথে থাকা মোবাইল ও স্বর্ণের গলায় চেইন ছিঁড়ে নিয়ে যায়।

আমাদের ডাক চিৎকার শুনে স্বাক্ষীগনসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি প্রদান বিবাদীরা দলবল নিয়ে চলে যায়।

Model Hospital

তিনি আরো জানান, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিলে আমার ছেলে সন্তানসহ পরিবারের সকল লোকজনকে প্রাণনাশের প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করে আসছেন। আমার পরিবার পরিজন নিয়ে বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

বাদী খোরশিদা বেগমের ছেলে আল আমিন সাংবাদিকদেরকে জানান, আমার জ্যাঠা মৃত রোস্তম আলী জীবিত থাকা অবস্থায় আমার বাবার সম্পত্তি অংশের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ জমি বিক্রি করে ফেলে। পরবর্তীতে আমার জ্যাঠা ওই ২০ শতাংশ জমি না দিতে পেরে বাড়ির পাশে ৯ শতাংশ একটি ডোবা আমার বাবাকে দিয়ে দেন । ওই ৯ শতাংশ জায়গায় আমরা ২৫ বছর ভোগদখল আসছি। জায়গার খারিজসহ সকল সঠিক কাগজপত্র আমাদের কাছে রয়েছে।

বিবাদী ইলিয়াস ও সাব্বির গংরা এই জায়গায় তারা দাবি করে একাধিকবার আদালতে মামলা দায়ের করলেও আমাদের সঠিক কাগজপত্র থাকায় আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেন। গত বুধবার সকালে আমরা পুরুষ মানুষ বাড়িতে না থাকায় ওই সুযোগে বিবাদীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে ও আমার বৃদ্ধ মায়ের উপর হামলা করে গুরুতর আহত করেন।

বিবাদী ইলিয়াস মোল্লা বলেন,আমার বাবার পৈত্রিক সম্পত্তির উপর আল-আমিন গংরা বেড়া ও ঘর নির্মাণ করেছে,তাই আমরা বাধা প্রদান করেছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।