বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

৫ দফা দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি প্রদান

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৫৭ পিএম
৫ দফা দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার স্মারকলিপি প্রদান
জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখা। দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপিক গ্রহণ করেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচাল (ডিডিএলজি) মোঃ গোলাম জাকারিয়া।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হোসাইন বলেন, জনগণের আস্থা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই ৫ দফা বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এই দাবিসমূহ বাস্তবায়িত হলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় আয়োজন করা নির্বাচন সম্ভব হবে। যা বাংলাদেশকে একটি অনন্য উচ্চতায় আসীন করবে।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জুলাই-গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে জুলাই জাতীয় সনদ এখনো আইনগত ভিত্তি পায়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনে করে, এই সনদের আইনগত বৈধতা না দিলে অভ্যুত্থানের অর্জন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে পারে। তাই জুলাই জাতীয় সনদের জন্য সংবিধান আদেশ জারি করা এবং নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের মাধ্যমে সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। পতিত স্বৈরাচার  সরকার সময় গুম-খুন, দমন-পীড়ন এবং প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। এজন্য  আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে ।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঘোষিত ৫ দফা দাবিগুলো হলো: ১. জুলাই সনদের অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন। ২. জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ। ৩. আগামী নির্বাচনে প্রকৃত লেভেল-পে-ইং ফিল্ড নিশ্চিত করা। ৪. জুলাই গণহত্যার বিচার দৃশ্যমান করা। ৫. জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষে চার্জ (পিআর) পদ্ধতি বাস্তবায়ন।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাকী, মাওলানা আবুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নূরে আলম, অর্থ সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রশিদ আহমদ, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান চাঁদপুরী, শহর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নুরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আব্দুস সুবহান, চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা তারেক হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মোজাম্মেল হোসাইন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হামিম, আমেলার সদস্য হাফেজ শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।