বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে চাচার পেটে এক শলা টেডা, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৫

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:০২ পিএম
জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে চাচার পেটে এক শলা টেডা, দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত-৫

সম্পত্তিগত বিরোধে ভাতিজার এক শলা টেডা দিয়ে চাচা আহত।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে চাচার পেটে এক শালা টেডা দিয়ে ভাতিজা শুক্কর আলী। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৫জন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নের ফতেবাপুর গ্রামের আইয়ুব আলী হাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত চাচা ফয়েজ মিয়া (৩০) ওই গ্রামের আবু হানিফের ছেলে। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অন্যান্য আহতরা হলেন,আব্দুস সাত্তার,আব্দুল মান্নান,আব্দুল হান্নান ও শুক্কর আলী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে ফয়েজ মিয়া গং ও তার ভাতিজা শুক্কুর আলীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দীর্ঘদিন ধরে শুক্কর আলী ও তার বাবা বিল্লাল হোসেন অন্য পাঁচ ভাইয়ের পৈর্তৃক ১০ শতাংশ জমি দখল করে রাখেন। অথচ পাঁচ ভাই ২ শতাংশ জমির মালিক থাকা সত্ত্বেও ঘটনার দিন সকালে ওই জমিতে ঘর তুলতে গেলে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শুক্কুর আলী ক্ষিপ্ত হয়ে ছুরি দিয়ে চাচা ফয়েজ মিয়াকে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: হারিছ বেপারী বলেন, চাচা-ভাতিজার মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ অনেক দিন ধরেই চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আজিজুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।