বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ মা জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরি

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:২৭ পিএম
ফরিদগঞ্জ মা জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরি

ফরিদগঞ্জ থানার দক্ষিণ পাশের মা জুয়েলার্স দোকানে চুরি।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত “মা জুয়েলার্স” দোকানে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা। দোকান মালিকের দাবি চোরের দল প্রায় শত ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৫ অক্টোবর) গভীর রাতে থানার বাজার এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা। এ সময় তিনি দোকান মালিক মন্টু কর্মকারসহ সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
মন্টু কর্মকার জানান, রাতে দোকানের শাটার ভেঙে ভিতরে ঢুকে স্বর্ণের বোল্ট ভেঙে প্রায় শত ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে চোরেরা।
তবে চুরির ঘটনাটিকে সন্দেহজনক” বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
চরপোয়া ভূঁইয়া বাড়ির এক নারী জানান, আমি তিন মাস আগে একটি আংটি ও কানের দুল বন্ধক রেখে ২১ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। আজ শুনে এসেছি দোকানে চুরি হয়েছে—আমার স্বর্ণগুলো কোথায় জানতে।
একই এলাকার শরিফা বেগম বলেন, আমি প্রায় দুই লক্ষ টাকার স্বর্ণ বন্ধক রেখেছিলাম। চুরির খবর শুনে ছুটে এসেছি জানতে, আমার গয়নাগুলো আছে কি না।
ভাটিয়ালপুর এলাকার শাহাদাত জানান, দুই মাস আগে একটি বেসলেট, আংটি ও চেইন বন্ধক রেখে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। আজ এসে শুনছি দোকানে চুরি হয়েছে।
পাশের মুদি দোকানদার ওসমান গনি বলেন, সকালে এসে দেখি শত শত মানুষের ভিড়। যাদের স্বর্ণ বন্ধক আছে, সবাই খোঁজ নিচ্ছেন। তবে যতদূর জানি, দোকানে এত স্বর্ণ রাখা হয় না। থানার পাশে এমন চুরির ঘটনা বেশ রহস্যজনক।
দোকানের কর্মচারী নান্টু কর্মকার জানান, গত রাতে প্রায় ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে চলে যাই। সকালে শুনি দোকানে চুরি হয়েছে। আনুমানিক শত ভরিরও বেশি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে চোরেরা।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকুর চাকমা বলেন, চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমার খতিয়ে দেখছি কি পরিমান স্বর্ণ চুরি হয়েছে। বিষয়টি বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ্ আলম জানান, চুরির সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়েছি। প্রাথমিক তদন্ত চলছে, শিগগিরই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।