বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই দিনে ১২ কিশোর আটক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৫ পিএম
চাঁদপুরে দেশীয় অস্ত্রসহ দুই দিনে ১২ কিশোর আটক

চাঁদপুর শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, চুরি, মাদক সেবন ও চোরাচালান কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সম্প্রতি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে এদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই নির্দেশনার আলোকে গত দুদিনে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) বাহার মিয়া।

থানা সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম এর নির্দেশনায় সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাহার মিয়ার তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) আবুল কালাম গাজীর নেতৃত্বে একটি চৌকস পুলিশ দল বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দিনগত মধ্যরাতে শহরের নাজিরপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রথম ধাপে ৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদেরকে নিয়ে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো মো. ইসমাইল (১৭), পিতা–আতিকুর রহমান, সাং–আলিমপাড়া, মো. রেজওয়ান ইসলাম তানিম (১৬), পিতা–আনিছুর রহমান, সাং–মঠখোলা, ছলেমান আজিমীন (১৫), পিতা–নজরুল ইসলাম, সাং–বড় স্টেশন, রেদুয়ান হোসেন (১৭), পিতা–গিয়াস উদ্দিন, সাং–নাজিরপাড়া। আটককৃতদের শুক্রবার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

Model Hospital

পরদিন শনিবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকে শহরের কুমিল্লা রোডের স্বর্ণখোলা এলাকায় দ্বিতীয় দফায় অভিযান চালিয়ে আরও ৭ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়। তারা হলেন মো. শাওন (১৮), পিতা–মো. শাহআলম পাটোয়ারী, সাং–চরপাড়া, মো. রায়হান (১৮), পিতা–মো. রবিউল ইসলাম মিজি, সাং–পশ্চিম গাবদের গাঁও, মো. শামিম (১৮), পিতা–মোস্তুফা কামাল সরদার, সাং–চরপোয়া (ফরিদগঞ্জ), রাহাত খান (১৮), পিতা–আব্দুল মমিন, সাং–ঘোষেরহাট, শাহমাহমুদপুর, সৈকত খান (১৮), পিতা–মহসিন খান, সাং–চাঁনখার বাজার, মো. হামিম (১৮), পিতা–কবির গাজী, সাং–মধ্য গুনরাজদী ও তাসদি তোহা অহি (১৮), পিতা–আবু ইউসুফ, সাং–মিশন রোড।

সদর মডেল থানা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, “চাঁদপুরে কোনো ধরনের কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা অবৈধ অস্ত্রধারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের গ্যাংয়ের বাকি সদস্যদের শনাক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে। তাদের বিরুদ্ধে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital