বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ষড়যন্ত্র করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঠেকানো যাবে না : মোস্তফা খান সফরী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৪ পিএম
ষড়যন্ত্র করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঠেকানো যাবে না : মোস্তফা খান সফরী

চাঁদপুর সদর উপজেলার ছোট সুন্দর বাজার ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মাঝে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা খান সফরী।

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান, সাবেক ছাত্র নেতা, চাঁদপুর -৩ আসেন বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য মোস্তফা খান সফরী বলেছেন, আমরা যারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশকে লালন করে বিএনপির রাজনীতি করছি, আমরা অবশ্যই নীতি আর্দশকে লালন করে এ দলের রাজনীতি করছি।

তিনি আরো বলেন, দেশকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, এ অবস্থায় দেশের জনগণ আগামীর নিরাপদ বাসযোগ্য দেশ হিসেবে বিএনপি কে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় দেখতে চায়।

তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের কাছে ব্যক্তি গোষ্ঠী নয়। আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় হচ্ছে দল ও দলের প্রতীক ধানের শীষ। তাই দলীয় মনোনয়ন দল যাকে দেয়, আমরা দলের প্রতীক ধানের শীষ কে বিজয়ী করতে এক ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে বিজয় নিশ্চিত করে ঘরে ফিরবো।

দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আগামী নির্বাচনকে নিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে এ অবস্থায় কোনো ষড়যন্ত্র করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কোনো ভাবেই ঠেকানো যাবে না।

Model Hospital

জনাব মোস্তফা খান সফরী সোমবার (২০ অক্টোবর ‘২৫ইং) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের ছোট সুন্দর বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মাঝে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও শুভেচ্ছা বিনিময় কালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১নং বালিথুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন স্বপন মিয়াজী, সাবেক ছাত্রনেতা বশির পারভেজ, কল‍্যাণপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হারুনুর রশিদ ভাট, রামপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কবীর সরদার জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্মআহবায়ক কামরুজ্জামান হাসানাত,বিএনপি নেতা মোজাম্মেল মিজি,যুবনেতা মনির হোসেন খান খোকা,সোহাগ বকাউল,পাবেল খান,আহমেদ দর্জী ,মোঃ পিন্টু খান,বাবুল হোসেন,গোলাম রাব্বানী মনির,মহসীন তপাদার,জিয়াউর রহমান সোহাগ,মোঃ শামীম,মাঈনুল ইসলাম,ছাত্রনেতা রাসেল আমাদের জনি সহ অন‍্যান‍্য নেতৃবৃন্দ।

এর আগে সকালে তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম আনোয়ার হোসেন খান ও মিজানুর রহমান মিয়াজীর কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এরপর তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১ নং বালিথুবা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন স্বপন মিয়াজীর আমন্ত্রণে তাঁর বাড়িতে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন।

পরে তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ছোট সুন্দর বাজারসহ কয়েকটি স্থানে বিএনপি’র ঘোষিত ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও স্থানীয় জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।