বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সভাপতি মাও. জসিম উদ্দিন সম্পাদক মাও. জিয়াউদ্দিন খন্দকার

চাঁদপুর সদর উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:১৬ পিএম
চাঁদপুর সদর উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের কমিটি গঠন

সভাপতি মাও. জসিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাও. জিয়াউদ্দিন খন্দকার।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন চাঁদপুর সদর উপজেলা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (২০ অক্টোবর ২০২৫) বিকেল ৩টায় চাঁদপুর আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুর জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি এইচএম আনোয়ার মোল্লা।
সভায় সদর উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী শিক্ষক-কর্মচারীগণের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি কমিটির ঘোষণা করেন। এ সময় চাঁদপুর সদর উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের নবগঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে অধ্যক্ষ মাও. মো. জসিম উদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক সুপার মাও. মো. জিয়াউদ্দিন খন্দকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সুপার মাও. মো. নূরুল ইসলাম পাটওয়ারীর নাম ঘোষণা করা হয়। এ সময় তিনি সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার অনুরোধ জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি এইচএম আনোয়ার মোল্লা চলমান শিক্ষকদের তিন দফা দাবি পূরণসহ শিক্ষকদের জাতীয়করণ করার জন্যে সরকারের নিকট দাবি জানান।
চাঁদপুর জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সাধারণ সম্পাদক ও চান্দ্রা নুরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এটিএম মোস্তফা হামিদীর সভাপ্রধানে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের উপদেষ্টা, চাঁদপুর আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান।
আনোয়ারা ইসলাম দাখিল মাদ্রসার সুপার মাও. মো. জিয়াউদ্দিন খন্দকারের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন ওসমানিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাও. মো. মহিউদ্দিন ও নাতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন আনোয়ারা ইসলাম দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র মো. মাহফুজুর রহমান। এ সময় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাও. মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান, বর্তমান অধ্যক্ষ মাও. মাসুম বিল্লাহ মজুমদার, উপাধ্যক্ষ মাও. মো. মিজানুর রহমান, বিষ্ণুদী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. জসিম উদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক আবু জাফর মো. মুজাজ্জেল হক, মান্দারী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. মো. নেছার উদ্দীন আহমেদ, হোসেনপুর আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. নিজামুদ্দিন, দক্ষিণ মদনা মাদ্রাসার সুপার মাও. মো. নূরুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার বাগাদী আহমাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও. আব্দুল্লাহ মো. খান, উপাধ্যক্ষ মাও. মো. মাহমুদুল হাসান, উপাধ্যক্ষ মাও. মো. জাকির হোসেন হিরু, সুপার মাও. মো. মুজাম্মেল হোসেন, সুপার মাও. মো. সাইফুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।