বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ধানের শীষের প্রার্থীর দুইদিন ব্যাপী জনসভা প্রস্তুতিমূলক সভা

ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা ছাড়া ঘরে ফিরবো না আমরা : বিএনপি নেতা আবু ইউসুফ পাটোয়ারী রুপন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:২৪ পিএম
ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা ছাড়া ঘরে ফিরবো না আমরা : বিএনপি নেতা আবু ইউসুফ পাটোয়ারী রুপন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী লায়ন ইঞ্জিঃ মমিনুল হকের নির্বাচনী জনসভার প্রস্তুতি নিতে দুটি পৃথক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে শাহরাস্তির টামটা উত্তর ইউপির বলশীদ হাজী আকুব আলী উঃবিঃ মাঠে এবং রাতে টামটা দক্ষিণ ইউপির উয়ারুক রহমানিয়া উঃবিঃ মাঠে এসব সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রে জানা যায়, টামটা উত্তরের সভাটি শুরু হয় প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান আশেক আলীর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে।
সভাপতিত্ব করেন টামটা উত্তর ইউপি বিএনপি সভাপতি শহীদ উল্লাহ মিয়াজী। আর দক্ষিণের সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউপি বিএনপি সভাপতি আনোয়ার হোসেন আখন্দ।
দুটি সভার প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আবু ইউসুফ পাটোয়ারী রুপন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে চাঁদপুর-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে লায়ন ইঞ্জিঃ মমিনুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা ছাড়া ঘরে ফিরবো না। তিনি আরও জানান, আগামী ১৪ ও ১৫ নভেম্বর টামটা দক্ষিণ উত্তরে  ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক জনসংযোগ করবেন। এজন্য তিনি মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শাহরাস্তি উপজেলার একটি পৌরসভা ও দশটি ইউনিয়ন নিয়ে নির্বাচনী রোডম্যাপের প্রাথমিক পরিকল্পনাও উপস্থাপন করেন তিনি।
সভায় বক্তারা প্রয়াত ৪ বারের  সাংসদ সদস্য মরহুম এম. এ. মতিন, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি মরহুম সিদ্দিকুর রহমান হেডমাস্টার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মিয়াজী ও মাওলানা মোজাফফর হোসেনের অবদানের স্মরণ করে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন, বিএনপি নেতা হাবিবুল্লাহ বিএসসি, টামটা দক্ষিণ বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামীম আহমেদ, টামটা উত্তর বিএনপি নেতা কিরন মুন্সি,সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন,  যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক সাগর,মোহাম্মদ হেলাল মুন্সী,  বিএনপি নেতা ইকরামুল হাওলাদার রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াত আলী বেঙ্গল,সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু, দক্ষিণের যুবদল সভাপতি মমিন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক দিদার, যুবদল সভাপতি মোঃ আলমসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।