বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভবিষ্যতে ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করার একমাত্র উপায় প্রতিভা অন্বেষণ : ড. জালাল উদ্দিন

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৪ পিএম
ভবিষ্যতে ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করার একমাত্র উপায় প্রতিভা অন্বেষণ : ড. জালাল উদ্দিন

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচরে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন দলকে ট্রফি তুলে দেন, চাঁদপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব ডঃ মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

চাঁদপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলে স্টেডিয়াম তৈরি করে খেলোয়াড়দের অনুশীলন, প্রশিক্ষণ এবং খেলাধুলার মান উন্নয়নের ব্যবস্থা করা হবে। একটি স্টেডিয়াম শুধুমাত্র একটি খেলার মাঠ নয়, বরং এটি একটি ভেন্যু যেখানে খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং তাদের শারীরিক ও কৌশলগত দক্ষতা বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়।
স্টেডিয়ামের সুযোগ-সুবিধাগুলো খেলোয়াড়দের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য কাজ করবো।
রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ড. জালাল উদ্দিন বলেন, খেলাধুলা শরীর ও মনকে প্রফুল্ল রাখে। তরুণ প্রজন্মকে সুস্থভাবে গড়ে তুলতে ও সঠিক পথে পরিচালিত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা কিশোর-কিশোরীদের মাদক, কিশোর গ্যাংসহ সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখবে। তাই শিশুকাল থেকে আমাদের খেলাধুলার অভ্যাস করতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে খেলাধুলার মান উন্নয়নে কাজ করবে।
প্রশিক্ষণ এবং সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলা হবে। প্রতিভা অন্বেষণই একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যৎ ক্রীড়াবিদদের খুঁজে পাব, যারা পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে বলে মন্তব্য করেন ড. জালাল উদ্দিন।
আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় কলাকান্দা স্পোর্টিং ক্লাব বনাম বারোআনি একাদশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কলাকান্দা স্পোর্টিং ক্লাব ১-০ গোলে বারোআনি একাদশকে পরাজিত করে।‌ কলাকান্দা স্পোর্টিং ক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয়।
ছেংগারচর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ উজ্জ্বল ফরাজীর সভাপতিত্বে ও পৌর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বেপারীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ছেংগারচর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ নান্নু মিয়া প্রধান, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মঞ্জুর আমিন স্বপন, তোফায়েল আহমেদ পাটোয়ারী, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল হাসান বেনু, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলম সরকার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশেফ মাহমুদ সংগ্ৰাম, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, সদস্য সচিব নাছির উদ্দিন মৃধা, পৌর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক গোলাম রাব্বানী স্টার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নুরুল হুদা ফয়েজী, সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন পিনু, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল খান, সদস্য সচিব ফরহাদ, ক্রীড়া সংগঠক রাজিব মিয়া প্রমুখ।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।