বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

“ডাকাত ডাকাত!” চিৎকারের পরই গুলিতে নিথর রুহুল আমিন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৪৬ এম
“ডাকাত ডাকাত!” চিৎকারের পরই গুলিতে নিথর রুহুল আমিন
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে দুর্বৃত্তদের গুলিতে রুহুল আমিন (৩৫) নামে এক সেলসম্যান নিহত হয়েছেন।
গুলি করে হত্যার সংসদ পেয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান ও হাজীগঞ্জ -ফরিদগঞ্জ সার্কেল মুকুর চাকমা ঘটনাস্থলে আসেন।
 মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের সমিতির পোলের গোড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত রুহুল আমিন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার পূর্ব বড়ালি এলাকার মিজি বাড়ির হোসেন মিজির বড় ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিটি কোম্পানির বেঙ্গল গ্রুপের সেলসম্যান হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পণ্য সরবরাহ করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী রাড়ি বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম মো. কাউসার বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমি দোকানের সামনে বসে ছিলাম। হঠাৎ গৃদকালিন্দিয়া সড়ক দিক থেকে দ্রুতগতিতে একজন লোক দৌড়ে এসে ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিৎকার শুরু করে। পরে লোকটি রাড়ি বাড়ির ভেতরে ঢুকে যায়। তার পেছন পেছন একটি জিক্সার মোটরসাইকেলে করে দুজন লোক ভেতরে ঢোকে। কিছুক্ষণ পরই তারা দ্রুত বের হয়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, এসময় ব্রিজের পাশে মাছ ধরছিল সোহেল নামে এক যুবক। সন্ত্রাসীরা পালানোর সময় সোহেল তাদের বাধা দেয় এবং একজনকে টেঁটা দিয়ে আঘাত করে। তখন তারা সোহেলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর কিছুটা দূরে পশ্চিম পাশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রুহুল আমিন। ঘটনাটি মাত্র আধা মিনিটের মধ্যেই ঘটে যায়।
গুলির শব্দে মুহূর্তেই আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ভিড় করে। খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ আলম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এটি ডাকাতির ঘটনা নাকি পূর্ব শত্রুতার জেরে খুন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে। আমাদের এলাকায় এই প্রথম প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটল।
উল্লেখ্য: গুলিবিদ্ধ যুবকের বুকে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।