শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিবন্ধীদের পাশে সমাজের বৃত্তবানরা এগিয়ে আসতে পারেন : ডিসি মোহসীন উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৬ পিএম
প্রতিবন্ধীদের পাশে সমাজের বৃত্তবানরা এগিয়ে আসতে পারেন : ডিসি মোহসীন উদ্দিন

চাঁদপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চাঁদপুরের বিদায়ী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনকে সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রদান করেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দাতা সদস্য সোহেল রুশদী, প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য অধ্যাপক ইসমাইল তপাদার কাঞ্চনসহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

চাঁদপুর শহরের ষোলঘরস্থ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিষ্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্কুল ড্রেস বিতরণ ও জেলা প্রশাসক এর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১টায় চাঁদপুর ঘোলঘরস্থ বিদ্যালয় মিলনায়নে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা প্রতিমা রানী ভৌমিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের বিদায়ী জেলা প্রশাসক (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।
জেলা প্রশাসক বক্তব্যে বলেন, আজ আমি সত্যি আবেগআপ্লুত। আমি যেটা বুঝি সেটি হলো এদেরকে নিজের মতো করে দেখা।
প্রতিবন্ধিদের পাশে সমাজের বৃত্তবানরা এগিয়ে আসতে পারেন৷ তাদের পাশে থাকা। তাঁদেরকে খেলাধুলাসহ নাচ গান আবৃত্তি সবকিছুতেই তাদেরকে সুযোগ দেয়া উচিত। তাঁদেরকে লালন করা উচিত। আপনারা যারা শিক্ষক হিসেবে তাঁদেরকে সময় দিচ্ছেন তারা কিন্তু সত্যিকারের ভালো কাজ করছেন।
তিনি বলেন, আপনারা কিন্তু দুনিয়া ও আখেরাতের কাজটাই করে যাচ্ছেন। পিতা-মাতা যেটা পারেনি, আপনারা শিক্ষকরা সেটা করে যাচ্ছেন, এটি সত্যিই কল্পনার বাইরে। এরাও কিন্তু রাষ্ট্রের সম্পদ। আপনারা তাঁদেরকে খেলাধুলাসহ সবকিতেই তাদেরকে গুরুত্ব দিবেন। বাসায় টেক কেয়ার করবেন, আপনার অন্যান্য সন্তানদের মতোই।  এখনে যারা শিক্ষকরা রয়েছেন আপনাদের অবদান ভূলার মতো নয়। আপনারা শেষ পর্যন্ত এদের পাশে থাকবেন এটাই আমি প্রত্যাশা করি।
এ সময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির দাতা সদস্য সোহেল রুশদী, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ইসমাইল তপাদার কাঞ্চন, চাঁদপুর জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা সুমন নন্দী, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান, সুইট কমিটি চাঁদপুর শাখার সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্দার আবুল বাশার, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সানাউল্ল্যাহ, সুইট কমিটির চাঁদপুর শাখার অর্থসচিব হাসানুজ্জামান ভূইয়া, সদস্য মিজানুর রহমান বাবুল, সহকারি শিক্ষক মো: মোরশেদ আলম খান সহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও প্রধান শিক্ষিকা ও  শিক্ষকবৃন্দ।
এসময় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায়ী চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিনকে  সংবর্ধনা ক্রেস্ট ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা প্রতিমা রানী ভৌমিক। তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন৷

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital