বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাইমচরে জনস্বাস্থ্যের টয়লেট নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩১ পিএম
হাইমচরে জনস্বাস্থ্যের টয়লেট নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ
হাইমচর উপজেলায় মানব সম্পদ উন্নয়নে গ্রামীন স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি প্রকল্পের আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে টয়লেট নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম দুনীতির অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, টয়লেটের রিং নির্মাণে যে নির্দেশনা রয়েছে তা না মেনে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করছে ঠিকাদাররা।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে হাইমচর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ২২৯টি করে টয়লেট নির্মাণের বরাদ্দ আসে। প্রতিটি টয়লেটের বরাদ্দ ৩৫ হাজার টাকা। বিগত সরকারের আমলে বরাদ্দ আসা এসব কাজ আওয়ামী লীগের ঠিকাদারা করেন। এবং প্রতিটি কাজে অনিয়ম করেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাইমচর উপজেলা ৩নং আলগী দূর্গাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের পাশে একটি মাঠে টয়লেট তৈরি সামগ্রী ইট, বালু, সিমেন্ট, টিন, কাঠ ও পিলার  রাখা হয়েছে। যা খুবই নিম্নমানের। আর ওই সব নিম্নমানের সামগ্রি দিয়ে স্থানীয় কিছু শ্রমিক টয়লেটের রিং, পিলার ও পানির পাত্র তৈরি করছেন। যা হাত দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলে ভেঙে যাবে এসব সামগ্রী। আবার প্রতিটি রিং ফাটল, তার ওপর সিমেন্টের গোলা দেওয়া হয় যাতে ফাটল দেখা না যায়। তাড়াহুড়ো করে ওই সব সামগ্রী উপকারভোগীদের বাড়ি বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এ নিয়ে কয়েকজন শ্রমিকদের কাছে চাইলে তারা বলেন, “যেভাবে কাজ করতে বলা হচ্ছে, সেভাবেই করছি। রিংয়ে ফাটল থাকলে সেগুলো পরিবর্তন করে দেওয়া হচ্ছে। বাকিটা মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।” ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা কিছুই জানি না।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুর হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, তথ্য চাইলেই আমি তথ্য দিতে রাজি নই। কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আপনাদের তথ্য প্রয়োজন হলে তথ্য আইনে লিখিত ভাবে তথ্য চাইলে আমি তথ্য দিব।
পরবর্তীতে তার অফিসে তথ্য অধিকার আইনের ফরমে লিখিত ভাবে তথ্য চাইলে তিনি আগামী ২৮ নভেম্বর শুক্রবারে তথ্য দিবেন বলে জানান, স্থানীয় সংবাদকর্মী তাকে বন্ধের দিনে তথ্য দিবেন কিভাবে? প্রশ্ন করায় তিনি ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার তথ্য দিবেন বলে জানান। তার এই তথ্য লুকিয়ে রাখার পেছনে রয়েছে বড় ধরনের অনিয়ম। যা ধামাচাপা দিতে কতিপয় লোকের মাধ্যমেও সংবাদকর্মীদের দেন টাকার অপার।
এ বিষয়ে কয়েকজন সংবাদ কর্মী পুনরায় তার কাছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নাম জানতে চাইলে তিনি এ বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আকুতি মিনতি করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital