বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে রুহুল হত্যার আসামি ডাকাত সর্দার রবিনকে আদালতে প্রেরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৬ পিএম
ফরিদগঞ্জে রুহুল হত্যার আসামি ডাকাত সর্দার রবিনকে আদালতে প্রেরণ

ফরিদগঞ্জে রুহুল আমিন হত্যার প্রধান আসামি ডাকাত সর্দার রবিনকে গ্রেফতার।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সিটি কোম্পানির বেঙ্গল গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি রুহুল আমিন হত্যাকাণ্ডের আলোচিত আসামি ও আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার রফিকুল ইসলাম রবিন ওরফে ‘ডাকাত রবিন’ (৩১)–কে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৯ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে আদালতে প্রেরণ করেন।
গত ১১ নভেম্বর রাত প্রায় ১০টার দিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুস্তমপুর এলাকায় সমিতির পোলের গোড়ার রাড়ি বাড়ির সামনে নগদ অর্থ ছিনতাই করে বিক্রয় প্রতিনিধি রুহুল আমিনের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে ডাকাতেরা। টাকা লুট করে পালানোর মুহূর্তে রুহুল আমিন ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করলে বিব্রত হয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই রুহুল আমিন গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান।
দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত রুহুল আমিন ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব বড়ালি মিজি বাড়ির হোসেন মিজির ছেলে। সে দুই সন্তানের জনক ছিল।
পরদিন নিহতের বাবা হোসেন মিজি ফরিদগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রুহুল আমিন হত্যার পরই ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ, ডিবি ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে। তদন্তে উঠে আসে, এই হত্যার মূল হোতা লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার আলোচিত ১৪ মামলার আসামি আন্তঃজেলা ডাকাত সর্দার রফিকুল ইসলাম রবিন।
পুলিশের তদারকি টের পেয়ে রবিন এলাকা ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াতে থাকে। তাকে ধরতে ফরিদগঞ্জ থানার কয়েকটি দল রামগঞ্জ, রায়পুরসহ বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালায়। অবশেষে সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে র‌্যাব–১১ এর একটি আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ সাইনবোর্ড এলাকা থেকে ডাকাত সর্দার রবিনকে গ্রেফতার করে। ১৮ নভেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র‌্যাব-১১ গ্রেফতারকৃত রবিনকে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
গ্রেফতার রবিন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার চান্দিরগাঁও গ্রামের হাজী শামছুন নুর পাটোয়ারীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ্ আলম বলেন, “বিক্রয় প্রতিনিধি রুহুল আমিনকে হত্যার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাত দলের সর্দার রবিনকে সনাক্ত করে। পরে র‌্যাবের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। আজ তাকে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”
ডাকাত সর্দার রবিন গ্রেফতারের খবর পেয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে।এদিকে নিহত রুহুল আমিনের পরিবার আদালতের কাছে হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার ও আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আহ্বান জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital