বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভূমিকম্পে কচুয়া বাতাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল, ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান শিক্ষার্থীদের

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৩ এম
ভূমিকম্পে কচুয়া বাতাবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল, ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান শিক্ষার্থীদের

কচুয়ার মনপুরা বাতাবাড়িয়া জাফর আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ভূমিকম্পে একাদিক স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে,ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান করছেন শিক্ষার্থীরা।

কচুয়া উপজেলার মনপুরা বাতাবাড়িয়া জাফর আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ভূমিকম্পে অন্তত ২৫-৩০টি স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। ভবনের ছাদ, মেঝে, দেয়াল, বিম ও কলাম সর্বত্রই নতুন ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করেছেন। যেকোনো মুহূর্তে ভবনটি ধসে পড়তে পারে এই নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
‎

সম্প্রতি ২২ শে ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকালে ভূমিকম্পে বিদ্যালয়ের দুইতলা বিশিষ্ট ভবনের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকের অংশ বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে বেশি। ভবনের নিচের অংশে অনেক জায়গায় ভেঙে পড়েছে। ছাদের প্লাস্টার খসে রড বের হয়ে গেছে। কক্ষের বিমেও ফাটল ধরা পড়েছে। এই অবস্থায় বিদ্যালয়ের ৫শত শিক্ষার্থী চরম আতঙ্ক নিয়েই ক্লাস করছে। অভিভাবকরা দ্রুত ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ করে পাঠদান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। ভবনের ফাটল দেখা দেওয়া ও ঝুঁকিপূর্ণ এর কারণে অনেক অভিভাবক ঝুঁকির কারণে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করেছেন, ফলে উপস্থিতি কমে গেছে।

বিদ্যালয়ের সরকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন বলেন,আবার ভূমিকম্প হলে বড় ঝুঁকি থাকবে। বাচ্চারা মানসিকভাবে খুব ভীত।

স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় দোতলার ছাদের পলেস্তারা নিচে পড়ে যায় এবং দেয়ালের অনেক জায়গায় ফাটল সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ অংশে বড় ফাটল দেখা দেয়। কয়েকটি কক্ষের ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ে এবং বিমে ফাটল দেখা যায়। তাদের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

Model Hospital

অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীর সাকিয়া আক্তার ও নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শারমিন সুলতানা জানান , আমরা আজ স্কুলে এসে খুব ভয় পাচ্ছি। আবার যদি ভূমিকম্প হয়। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের আমাদের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। আমাদের বিদ্যালয়ের একমাত্র দুইতলা বিশিষ্ট একটি ভবনে রয়েছে। বড় ধরনের ফাটল ও কক্ষের ছাদের প্লাস্টার এখনও খসে পড়েছে,বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা রয়েছে।

অভিভাবক নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ছুটির দিন শুক্রবার ভূমিকম্প হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে আমাদের সন্তানরা অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। ভবনটি দ্রুত পুনঃর্নিমাণ করা জরুরি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital