বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সদরের ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে প্রশিক্ষণ

সরকারি বিধান না মেনে দয়া করে কেউ অবৈধভাবে বিদেশ যাবেন না : ইউএনও জামিউল হিকমা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১:৩০ পিএম
সরকারি বিধান না মেনে দয়া করে কেউ অবৈধভাবে বিদেশ যাবেন না : ইউএনও জামিউল হিকমা

চাঁদপুর সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে সিমস প্রকল্প বিষয়ক প্রশিক্ষনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এস এম এন জামিউল হিকমা।

চাঁদপুর সদর উপজেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থানীয় অংশীজনদের নিয়ে সিমস প্রকল্প বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা সাংবাদিক ক্লাবে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম এন জামিউল হিকমা।

তিনি বলেন, “নিয়ম না মেনে বিদেশে গেলে বাড়তি আর্থিক ব্যয়, যাত্রাপথে ভোগান্তি, পাচারের শিকার হওয়া এমনকি পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে।”প্রবাসে যে কোনো সমস্যায় পরিবারকে জানাতে হবে। কারণ পরিবার জানলে বড় ধরনের বিপদ থেকে বাঁচাতে তারা সহযোগিতা করতে পারেন।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, বিদেশের চাহিদা অনুযায়ী টিটিসি, যুব উন্নয়ন, বিটাক থেকে কাজের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। সরকারি বিধান না মেনে দয়া করে কেউ অবৈধভাবে বিদেশ যাবেন না। অবৈধভাবে বা অবৈধ পথে বিদেশে গেলে হয়রানির শিকার হতে হয়। পরিবার ও নিজের সুখের আশায় অবৈধভাবে বিদেশে জীবনও দিতে হয়েছে অনেকের। এতে নিজের যেমন কষ্ট হয় তেমন করে পরিবারের লোকজনও পড়েন হতাশায়। ফলে সুখের বদলে পরিবারে নেমে আশে অশান্তির কারণ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন,বিদেশে যেতে হলে সেই দেশের ভাষা ও কাজের দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণ করে বিদেশ গেলে আর অশান্তির কারণ হবে না। বাংলাদেশ সরকার সেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করে রেখেছে। তাই তিনি প্রশিক্ষণ ছাড়া অবৈধ ভাবে বিদেশে গিয়ে ভোগান্তির শিকার না হওয়ার জন্য আহবান জানান।

প্রশিক্ষণে সঞ্চালনা করেন সিসিডিএ সিমস-২ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী নার্গিস আক্তার। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, যিনি নিরাপদ অভিবাসন ইস্যুতে স্থানীয় অংশীজনদের দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন তরপুরচন্ডি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মুনসুর আহমেদ।

উল্লেখ্য, সিসিডিএ সিমস-২ প্রকল্প ২০২৪ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চাঁদপুর জেলার ৬টি উপজেলা, ৩৭টি ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভায় নিরাপদ অভিবাসন সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।