শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজে মহান শহীদ দিবস উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৩:০৪ পিএম
নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজে মহান শহীদ দিবস উদযাপন

শাহ্তলী জিলানী চিশতী কলেজ, জিলানী চিশতী উবি, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উবি’র যৌথ আয়জনে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহ্তলী জিলানী চিশতী কলেজ, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

২১শে ফেব্রুয়ারী (সোমবার) সকাল ৮টায় কলেজ মিলনায়তনে কলেজের অধ্যক্ষ মো: হারুন-অর রশিদের সভাপতিত্বে ও ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

প্রধান অতিথি কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ভাষার জন্য শহীদ হওয়ার বিরল নজির রয়েছে বাংলাদেশে। আমরা গর্বিত আজ একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। রাষ্ট্রভাষা বাংলা আমাদের মায়ের ভাষা, যা স্বর্গীয় দান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থানে ও সব জায়গায় মাতৃভাষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলা আমাদের রাষ্ট্রভাষা, এ ভাষার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে হবে। এ ভাষার তাৎপর্য চেতনা সুদুরপ্রসারী তা আমরা জানি।

শাহ্তলী জিলানী চিশতী কলেজ আয়োজনে মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে শহীদদের স্মরনে কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদীর নেতৃত্বে কলেজ ক্যাম্পাস ও সড়ক প্রদক্ষিন করে প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ভাষার জন্য বিশ্বে একমাত্র বাংলাদেশই শুধুমাত্র সংগ্রাম করে রাষ্ট্রভাষা বাংলা অর্জন করেছে। ভাষার জন্য শহীদ হয়েছে রক্ত দিয়েছে। যারা ভাষা আন্দোলনে শহীদ হয়েছে আমি সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। বিশ্বে প্রায় ৪৪ভাগ দেশ এ দিনটি আজ পালন করছে।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, ২২ফেব্রুয়ারী থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা প্রর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রেনি কার্যক্রম চালাতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে ঝরে না পরে, এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ২০২১ইং সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত গরীব ও মেধাবী ২জন শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রয়োজনে আরো মেধাবী ও গরীব শিক্ষার্থীকে বই দিব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপি’র কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। শিক্ষামন্ত্রীর বদান্যতায় আমরা জিলানী চিশতী কলেজসহ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে ৪তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন পেয়েছি। আমাদের দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যা শাহতলী কামিল মাদরাসায় ছিল। তা শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি এমপি’র সহযোগিতায় সমাধান হয়েছ। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, আমাদের শাহতলী কামিল মাদরাসার অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম অর্থাৎ স্কুল ড্রেস পরে বিদ্যালয়ে ও কলেজে আসতে হবে। এ ব্যাপারে সব্বোর্চ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

শাহ্তলী জিলানী চিশতী কলেজ আয়োজনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসিন উদ্দিন, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: তহমিনা আক্তার।

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহাকারি প্রধান শিক্ষক মো: শাহাদাৎ হোসেন, ভূগোল বিষয়ের সহকারি অধ্যাপক ও গভর্নিং বডির শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য মো: গোলাম সারওয়ার, প্রদর্শক মো: মুঞ্জুর হোসেন পাটওয়ারী, প্রভাষক মো: জহিরুল ইসলাম খান মুরাদ, শরীরচর্চা শিক্ষক হালিমা আক্তার, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা ফাহিমা জাহান, সহকারি শিক্ষিকা রাবেয়া বেগম, সহকারি শিক্ষক মো: লুৎফুর রহমান, সহকারি শিক্ষক বিপুল চন্দ্র নন্দী, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: দিদার হোসেন মিজি, সহকারি শিক্ষিকা শাহিনা আক্তার, সহকারি শিক্ষিকা নাজিয়া মাহবুব, সহকারি শিক্ষিকা তানজিনা খানম, সহকারি শিক্ষক মো: কবির হোসেন চৌধুরী, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম, জিলানী চিশতী কলেজের অফিস ইনচার্জ মো: রানা সরকার, অফিস সহকারি মো: মেহেদী হাসানসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দসহ অন্যান্যরা।

আলোচনা সভার শুরুতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শহীদদের স্মরনে শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদীর নেতৃত্বে কলেজ ক্যাম্পাস ও সড়ক প্রদক্ষিন করে প্রভাতফেরি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রভাতফেরি শেষে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী, কলেজ অধ্যক্ষ মো: হারুন-অর রশিদ, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসিন উদ্দিন, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চন্দ্র দাস, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদ ও ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা: তহমিনা আক্তারসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ও দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী’র পক্ষ থেকে ২০২১সালের এসএসসি পরীক্ষায় বোর্ড বৃত্তি ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত জিলানী চিশতী কলেজের ২০২১-২২বর্ষের একাদশ শ্রেনির ২জন গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম পাটওয়ারী।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, কলেজ অধ্যক্ষ মো: হারুন-অর রশিদ। তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
৩০ বছর ধরে গাছ লাগিয়ে গ্রামের সড়কের চিত্র বদলে দিলেন মসজিদের ইমাম রেজাউল

মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রায় ৩০ বছর ধরে বৃক্ষরোপণ করে আসছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মো. রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। নিজের অর্থ ও উদ্যোগে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ ও পরিচর্যা করে গড়ে তুলেছেন সবুজের আবরণ। তার লাগানো সারি সারি তালগাছে বদলে গেছে গ্রামের একটি সড়কের চিত্র।

স্থানীয়দের কাছে রেজাউল কিবরিয়া বাবুল একজন ইমাম হিসেবে পরিচিত হলেও বৃক্ষপ্রেমী হিসেবেও রয়েছে তার আলাদা পরিচিতি। তিনি ওমরপুর ইউনিয়নের কালাপানিয়া বাজার বাইতুল মামুর জামে মসজিদের ইমাম। ইমামতির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় নিজেকে নিয়োজিত রাখেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন দশক আগে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেন রেজাউল কিবরিয়া। ১৯৯৩-৯৪ সালের দিকে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ভুঁইয়ারহাট এলাকায় একটি নার্সারি গড়ে তোলেন। সেখান থেকে উৎপাদিত ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন জাতের গাছের চারা এলাকার সড়কের পাশে রোপণ করতে শুরু করেন। একই সঙ্গে মাইকিং করে স্থানীয়দের গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতেন।

তার লাগানো গাছের মধ্যে রয়েছে তাল, ফলজ ও বিভিন্ন ঔষধি গাছ। ওমরপুর গ্রামের বাউল সড়কের দুই পাশে প্রায় দুই দশক আগে লাগানো তালগাছগুলো এখন বড় হয়ে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে। দূর থেকে দেখলে পুরো সড়কটি যেন সবুজে ঘেরা একটি প্রাকৃতিক পথ। গাছের ছায়ায় পথচারী ও কৃষকেরা স্বস্তি পান। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরের লোকজনও এখন এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন।

Model Hospital

শুধু বাউল সড়ক নয়, ওমরপুর ইউনিয়নের আরও কয়েকটি সড়কের পাশেও গাছ লাগিয়েছেন তিনি। চারা রোপণের পর নিয়মিত সেগুলোর পরিচর্যাও করেন। অনেক গাছ নষ্ট হয়ে গেলেও বৃক্ষরোপণের কাজ থেকে পিছিয়ে যাননি তিনি।

স্থানীয়দের মতে, সরকারি কোনো প্রকল্পের অপেক্ষায় না থেকে একজন ইমামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানোর এই প্রচেষ্টা শুধু একটি সড়কের সৌন্দর্যই বদলায়নি, বরং স্থানীয়দের মধ্যেও বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান, লিটন, আলমগীর ও যুবক তুহিন জানান, বাউল সড়কের দুই পাশে এখন শত শত তালগাছ রয়েছে। গাছগুলো বড় হয়ে ওঠায় সড়কটির সৌন্দর্য অনেক বেড়েছে। বিকেল ও সন্ধ্যায় স্থানীয়রা সেখানে সময় কাটান। দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে এই সড়কের সৌন্দর্য দেখতে আসেন। রেজাউল কিবরিয়ার উদ্যোগ দেখে তারাও নিজেদের জায়গায় বেশি করে গাছ লাগাতে উৎসাহিত হয়েছেন।

রেজাউল কিবরিয়া বাবুল বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় আমি প্রায় তিন দশক ধরে গাছ লাগিয়ে আসছি। ১৯৯৩-৯৪ সালে এ কাজ শুরু করি। এ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে তালগাছের বীজ ও চারা রয়েছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার।’

তিনি বলেন, সব গাছ টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি। তবে গাছ লাগানোর কাজ থেকে কখনো সরে আসেননি। বর্তমানে নিজে নার্সারিতে চারা উৎপাদনের সময় না পাওয়ায় ঝালকাঠির স্বরূপকাঠি থেকে বিভিন্ন ধরনের চারা সংগ্রহ করে রোপণ করছেন।

তালগাছ লাগানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তালগাছ লাগানোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। পাশাপাশি বন বিভাগের পরামর্শও নিয়ে থাকেন।

রেজাউল কিবরিয়া আরও বলেন, ‘আমি গাছ লাগানোকে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে দেখি। একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ছায়া, সৌন্দর্য ও উপকারের উৎস। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিনই গাছ লাগানোর এই কাজ চালিয়ে যেতে চাই।’

তার ভাষ্য, গ্রামের প্রতিটি সড়ক ও আশপাশের এলাকা সবুজে ভরে তোলাই তার লক্ষ্য। একই সঙ্গে তরুণদের খারাপ অভ্যাস থেকে দূরে রাখতে ফল ও ফুলের বাগান করার আহ্বান জানান তিনি।

রেজাউল কিবরিয়ার দীর্ঘদিনের উদ্যোগের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, ‘গাছ লাগানো অবশ্যই একটি ভালো উদ্যোগ। রেজাউল কিবরিয়া সাহেবের দীর্ঘদিনের এ কাজের বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করব।’