বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের ডা. আসমা বেগমের পদোন্নতি, ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৯:২৩ পিএম
চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের ডা. আসমা বেগমের পদোন্নতি, ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত

ডা. আসমা বেগম পদোন্নতি পেয়ে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক হওয়ায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মাদরসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

দীর্ঘদিনের কর্মনিষ্ঠা ও সেবাকার্যের স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের সাবেক শিশু কনসালটেন্ট ডা. আসমা বেগম।
গত ১৭ নভেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তার এই সাফল্যে ভূঁইয়া বাড়ি, বিভিন্ন হাসপাতালসহ বিভিন্ন মহল থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।
জানা যায়, ​ডা. আসমা বেগম ২০১৭ সাল থেকে এই পর্যন্ত চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে শিশু কনসালটেন্ট হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ এই সময়ে তিনি হাসপাতালের আউটডোর এবং ইনডোর, দুটি স্থানেই নিয়মিত সেবা প্রদান করে শিশু রোগীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তার এই পদোন্নতি নিঃসন্দেহে তার কর্মজীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এই বিশেষ অর্জনে ডা. আসমা বেগমকে গত কয়েকদিন ধরে পর্যায়ক্রমে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন বিভিন্ন স্তরের মানুষ। অভিনন্দন জ্ঞাপনকারীদের মধ্যে রয়েছেন শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার ভূঁইয়া বাড়ির বিভিন্ন পরিবারের সদস্যরা, ভূঁইয়া বাড়ি মৌলবী আব্দুল জব্বার মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীগণ, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ডা. আসমা বেগম পদোন্নতি পেয়ে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক হওয়ায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মাদরসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য : ​ডা. আসমা বেগম চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর এলাকার মরহুম ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নান আলমাসের কন্যা। পারিবারিক দিক থেকেও তার চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে, তার বড় ভাই বর্তমানে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি) হিসেবে কর্মরত আছেন।
তিনি শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার ভূঁইয়া বাড়ির মো. সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়ার সহধর্মিণী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে সন্তানের জননী।
নিজের নতুন কর্মজীবনে পদার্পণ উপলক্ষে ডা. আসমা বেগম সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় এবং চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালের সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যারা তাকে এই পথে সহযোগিতা করেছেন। তিনি তার পরিবার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতিও বিশেষ ধন্যবাদ জানান। ডা. আসমা বেগম সকলের কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, আমি যেন নতুন দায়িত্বে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সকলের সেবা করে যেতে পারি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।