রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হলেন ডা. মুহাম্মদ আসিফ ইকবাল

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:২২ পিএম
পদোন্নতি পেয়ে সহকারী অধ্যাপক হলেন ডা. মুহাম্মদ আসিফ ইকবাল
চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবাক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন ডা. মুহাম্মদ আসিফ ইকবাল।
গত ৯ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ পদোন্নতি অর্জন করেন।
ডা. মুহাম্মদ আসিফ ইকবাল ২০০৭ সালে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২৮তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে ২০১০ সালের ১ ডিসেম্বর চাঁদপুর ২৫০ শয্যা সরকারি হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে তিনি টানা ২০১৫ সাল পর্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
এরপর তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করে চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তিনি পুনরায় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে আরপি (রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান) হিসেবে যোগদান করেন।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চতর যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) (সাবেক পিজি হাসপাতাল) থেকে এফসিপিএস (মেডিসিন) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন, যা তার পেশাগত দক্ষতাকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
ডা. আসিফ ইকবাল চাঁদপুর শহরের বিষ্ণুদী মাদরাসা রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. শাহআলম পাটওয়ারীর সন্তান। তার পিতা একজন সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন।
সহকারী অধ্যাপক পদে তার এই পদোন্নতিতে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও চাঁদপুরের চিকিৎসা মহল তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে তার সাফল্য কামনা করেছেন।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।