বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে দুই দিনব্যাপী দৈকামতা মাদরাসার ১৭তম বার্ষিক ইছালে সাওয়াব মাহফিল সম্পন্ন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:০৭ পিএম
শাহরাস্তিতে দুই দিনব্যাপী দৈকামতা মাদরাসার ১৭তম বার্ষিক ইছালে সাওয়াব মাহফিল সম্পন্ন
শাহরাস্তিতে দৈকামতা দারুসসুন্নাত দীনিয়া ও হিফজ মাদরাসার ১৭তম বার্ষিক ইছালে সাওয়াব মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং, শনিবার ও রবিবার দুই দিনব্যাপী শাহরাস্তি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দৈকামতা দারুসসুন্নাত দীনিয়া ও হিফজ মাদরাসা এবং লিল্লাহ বোর্ডিং কমপ্লেক্সের উদ্যোগে দীনিয়া কমপ্লেক্স ময়দানে মরহুম আলী আশ্রাফ পাটওয়ারী (রহ.)-এর ইছালে সাওয়াব কামনায় এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিলে দেশবরেণ্য আলেমে দ্বীন, ওলামায়ে কেরাম, রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে ওয়াজ-নসিহত, দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান পাটওয়ারী।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “দ্বীনি শিক্ষা জাতির নৈতিক চরিত্র গঠনের মূল ভিত্তি। কোরআন-সুন্নাহভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এই প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
তিনি মাদরাসা ও এতিমখানার সার্বিক উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
দ্বিতীয় দিনের মাহফিলে প্রধান ওয়াজ ও নসিহত পেশ করেন আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ সাইফুউদ্দিন খন্দকার।
তিনি বলেন, ইছালে সাওয়াবের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ আমল। দুনিয়াতে নেক আমলই আখিরাতের পাথেয়।
দ্বিতীয় দিনের মাহফিলে প্রধান ওয়াজ ও দিকনির্দেশনামূলক আরো  বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোঃ জিল্লুর রহমান ফারুকী, অধ্যক্ষ, হাইমচর আলিয়া মাদরাসা। তিনি বলেন, “দ্বীনি প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখতে আলেম-ওলামা ও সমাজের বিত্তবানদের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে। কোরআনের আলোয় সমাজ গড়তে হলে দ্বীনি শিক্ষার বিকল্প নেই।
এছাড়া ওয়াজ ও নসিহত করেন চাঁদপুর যুব হিজবুল্লাহ সভাপতি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাবীবুর রহমান। ওই উপলক্ষে ১ম দিন আরও ওয়াজ ও নসিহত পেশ করেন—মাওঃ মোঃ দেলোয়ার হোসেন,মাওঃ মোঃ নেছার আহম্মদ,মাওঃ ওমর ফারুক,মাওঃ আবু জাফর ছালেহ, মাওঃ মোঃ আবু বকর সিদ্দিক,মাওঃ মোঃ শরীফ উদ্দিন, হাফেজ মোঃ আমিন,মাওঃ ফয়েজ আহম্মদ (উপাধ্যক্ষ, ঠাকুরবাজার সিনিয়র মাদরাসা),মাওঃ ইব্রাহীম খলিল ইবনে আশ্রাফ আলী পাটওয়ারী, মাওঃ ইয়াসিন পাটওয়ারী, মাওঃ মাছুম বিল্লাহ পাটওয়ারী,মাওঃ শামসু উদ্দীন খন্দকারও হাফেজ মোঃ মিরাজ হোসেন।
মাহফিল শেষে মরহুম আলী আশ্রাফ পাটওয়ারী (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।