বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে সচেতনতামূলক সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা

সরকার কোনোভাবেই বিষাক্ত স্পিরিটের অবৈধ ব্যবহার বা পাচারকে প্রশ্রয় দেবে না

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৩২ পিএম
সরকার কোনোভাবেই বিষাক্ত স্পিরিটের অবৈধ ব্যবহার বা পাচারকে প্রশ্রয় দেবে না

মিথানল ও বিষাক্ত স্পিরিট অপব্যবহার রোধে চাঁদপুরে সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা।

রেক্টিফাইড স্পিরিট, বিষাক্ত স্পিরিট মিথাইল অ্যালকোহল (মিথাইল), ইথাইল অ্যালকোহল (ইথানল) ও উৎপাদিত মেথিলেটেড স্পিরিট যেন কোনোভাবেই অপব্যবহার না হয়—সে বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁদপুরে বিশেষ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, ব্যবসায়ী ও ডিনেচার্ড স্পিরিটের লাইসেন্সধারীরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা বলেন, মাদক একটি নীরব ঘাতক। বিশেষ করে মিথানল ও বিষাক্ত স্পিরিটের অপব্যবহার মানুষের জীবনকে সরাসরি মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। সামান্য অবহেলাও মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের অবশ্যই আইন মেনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। রেক্টিফাইড স্পিরিট ও মেথিলেটেড স্পিরিট যেন মানবদেহে ব্যবহারের সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন হতে হবে।

Model Hospital

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ ব্যবহার প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, মাদকাসক্তির মতো সর্বনাশা ছোবল দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আজকের ও আগামী দিনের সুস্থ সুন্দর ও সুখকর সমাজের জন্যে মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রোধ করতে হবে। আর তার জন্যে প্রয়োজন ব্যক্তিগত উদ্যোগ সামাজিক প্রতিরোধ এবং জাতীয় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ। আমরা আশা করছি সময়ের ব্যবধানে এসব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে উপহার দেবে একটা মাদকমুক্ত সমাজ।

তিনি বলেন, “চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে”—এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তবেই একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব হবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁদপুরের সহকারী পরিচালক মুঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাপ্পি রনি দত্ত, চাঁদপুর হোমিও কল্যাণ চিকিৎসক সমিতির সভাপতি আতাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শেখ মহসীন, ব্যবসায়ী উত্তম সাহা।

অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital