হাজীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নারী গ্রেপ্তার: উদ্ধার হয়নি ভিকটিম
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় অভিযুক্ত মূল আসামির এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তবে ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও অপহৃত ছাত্রীকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত মায়মুনা আক্তার রিপা (১৪) হাজীগঞ্জের নওহাটা ফাজিলা ডিগ্রি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। গত ৭ অক্টোবর সকালে বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় গত ৩ ডিসেম্বর হাজীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন ছাত্রীর মা সাবিনা বেগম।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সাকচিপাড়া গ্রামের রাজিব (২২) নামের এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল। এতে রাজি না হওয়ায় রাজিব তাকে ধর্ষণের হুমকিও দিয়েছিল। ঘটনার দিন রাজিব তার সহযোগীদের নিয়ে মায়মুনাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে।

এই অপহরণে প্রত্যক্ষ সহযোগিতার অভিযোগে আজ পুলিশ সাকচিপাড়া গ্রামের মোসা. সুমাইয়া বেগমকে (৩০) গ্রেপ্তার করে। সুমাইয়া ওই মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি ছিলেন।
হাজীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন জানান, মামলার পর থেকেই পুলিশ আসামিদের ধরতে অভিযান চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ এজাহারনামীয় আসামি সুমাইয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে যথাযথ পুলিশ পাহারায় চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মূল আসামি রাজিবকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত ভিকটিম মায়মুনা আক্তার রিপাকে উদ্ধারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





