বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে বিধবা নারীকে হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম
কচুয়ায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে বিধবা নারীকে হয়রানির অভিযোগ

কচুয়ায় বিধবা হাছিনা বেগমের দখলী জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্ঠার অভিযোগ।

কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের বড় ভবানীপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হাছিনা বেগম (৪৬) নামের এক বিধবা নারীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। হয়রানির শিকার নারী ওই গ্রামের মোল্লা বাড়ির মৃত জয়নাল আবেদীন এর স্ত্রী। হয়রানি ও ভাঙচুর অভিযোগ এনে ভুক্তভোগী বিধবা হাছিনা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্র জানা গেছে, বাদীর ননসের জামাই একই ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন, ননস মোছা: তাসলিমা বেগম (৫৫) এর সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এই জমিজমা নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা চালমান রয়েছে। বিবাদীরা ওয়ারিশের ভূমি পাবে বলে দাবি করে বাদীর দখলীয় ভূমি জোর পূর্বক ভাবে জবর দখল করার পায়তারাসহ হয়রানি ভয়ভীতি হুমকি হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে আসছে।

এর ধারাবাহিকতায় ০৩ জানুয়ারি শনিবার বিকেলে বিবাদীরা জোর পূর্বক ভাবে দখল করার উদ্দেশ্যে বাদীর ভূমিতে থাকা সিমেন্টের পালা প্লাষ্টিকের বেড়া উপরে ফেলে ভূমি দখল করার চেষ্টা করে। এতে বাধা প্রদান করলে বিবাদী আলমগীর হোসেন, তাসলিমা বেগম ও একই গ্রামের মিন্টু মিয়াসহ অজ্ঞাত ৪থেকে ৫জন বাদী হাছিনাকে মারধর করার জন্য দা, লাঠিসোঠা বটি নিয়ে দৌড়ে আসে। বাদীর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ পুনরায় বাধা প্রদান করলে বাদীকে খুন জখম করবে বলে প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি প্রদর্শণ করে।

বাদী অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, বাদীর নামে মিথ্যা অপবাদসহ বাদীকে খুনি হাসিনা বলে এলাকায় মাইকিং এর মাধ্যমে ফাঁসি চায় দাবি করে মানহানি করেছে।

Model Hospital

বাদী হাসিনা বেগম জানান, বিবাদী সৎ ননস ও তার জামাই দীর্ঘদিন ধরে আমাকে হয়রানি করে আসছে। আমার স্বামী না থাকায় দুইটা মেয়ে ও একটি ছোট ছেলেকে নিয়ে অসহায় দিন কাটাচ্ছি। তারা পূর্বে তাদের ওয়ারিশের জায়গা বিক্রি করে ফেলে অযথা মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে। আমার স্বামীর প্রথম সংসারের সৎ ছেলে মোশারফ হোসেনকে দিয়ে আমার মেয়েদের উপর একাধিকবার হামলা করেছেন। আমি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি করছি।

বিবাদী আলমগীর হোসেন তার বক্তব্য জানতে মোবাইলে ফোন দিলে এই বিধবা নাছিমা বেগম বিষয়ে বক্তব্য দিতে প্রথমে অনীহা প্রকাশ করেন। পরে এ পর্যাযে তিনি বাদী হাছিনার বেড়াটি তার স্ত্রীর ওয়ারিশের জায়গা দাবি করে বেড়া উঠিয়ে ফেলেছি বলে স্বীকার করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।