বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম কলিমউল্লাহর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী

সাইফুল ইসলাম সিফাত প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪১ পিএম
আজ ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম কলিমউল্লাহর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম কলিমউল্লাহর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

এ উপলক্ষে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে এই কিংবদন্তিতুল্য সংগ্রামীকে স্মরণ করেছে। পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চেয়েছেন।

ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ—বাংলার ইতিহাসের এই দুই গৌরবময় অধ্যায়ে যাঁদের অবদান অবিস্মরণীয়, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বি এম কলিমউল্লাহ। ভাষার অধিকার রক্ষায় তিনি ছিলেন আপসহীন, আর মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিলেন সাহসী ও দৃঢ়চেতা একজন সংগঠক ও সম্মুখ সারির যোদ্ধা। তাঁর ত্যাগ, আদর্শ ও দেশপ্রেম আজও নতুন প্রজন্মকে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলার অনুপ্রেরণা জোগায়।

বি এম কলিমউল্লাহ চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় চাঁদপুর অঞ্চলে সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং সম্মুখ সমরের যোদ্ধা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি বাহিনী তাঁর বাড়ি পুড়িয়ে দেয়।

Model Hospital

ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম কলিমউল্লাহ ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার কল্যাণপুরে ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ১০৯ বছর (মতান্তরে ৯৯ বছর)। তিনি এক ছেলে ও সাত মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পরে তাঁর পৈত্রিক বাড়ি রামচন্দ্রপুর গোপালখোর ভুঁইয়াবাড়িতে তাঁকে দাফন করা হয়।

বি এম কলিমউল্লাহ শুধু একজন ভাষা সৈনিক বা মুক্তিযোদ্ধাই নন, তিনি ছিলেন সংগ্রাম ও মানবিকতার প্রতীক। তাঁর মতো মানুষেরাই জাতির ইতিহাসকে আলোকিত করে রাখেন।

ভাষা সৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা বি এম কলিমউল্লাহর আদর্শ ও সংগ্রামী জীবনের কথা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্মরণসভা ও নানা সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁর ত্যাগ ও দেশপ্রেম তুলে ধরার দাবিও জানান বিশিষ্টজনরা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital