বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে রাতের আঁধারে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দেওয়া হচ্ছে করোনার টিকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ২:০৭ পিএম
ফরিদগঞ্জে রাতের আঁধারে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দেওয়া হচ্ছে করোনার টিকা

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে রাতের আঁধারেও ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে দেওয়া হচ্ছে করোনার টিকা। প্রান্তিক পর্যায়ে অসচেতন জনসাধারনকে করোনার টিকার আওতায় আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। অসচেতন ও অবহেলিত জনসাধারনকে করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। শুধু এম্বুলেন্স নয় অটো রিক্সা কওে বাড়ি বাড়ি গিয়েও টিকা দিতে দেখা গেছে। আর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সচেতনমহল।

২৪ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিন ইউনিয়নের কালিরবাজার এলাকায় কোভিট-১৯ ভ্রাম্যমান টিকাদান কার্যক্রম ব্যানার সাঁটিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এম্বুলেন্সে করে করোনার টিকা দিতে দেখা গেছে। এ ভ্রাম্যমান টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করেনে, উপজেলা স্যানিটাইজার ইন্সপেক্টর মো. নজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য সহকারী দীলিপ চন্দ্র মজুমদার, সিনিয়র নার্স জেসমিন খাতুন ও এম্বুলেন্স ড্রাইবার দেলোয়ার হোসেন।

শুধু তাই নয়, শুক্রবার সকালেও উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় অটোরিক্সা করে সাধারন মানুষের দ্বোরগোড়ায় টিকা নিয়ে কড়া নাড়তে দেখা যায়। এসময় ভ্রাম্যমান টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করেন, সহকারী পরিদর্শক মরিয়ম বেগম ও এইচ.এ মো. মোস্তফা তালুকদার।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা আশ্রাফ চৌধুরী বলেন, উপজেলার সব মানুষকে করোনা ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আমরা ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে করে অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি। এতে করে টিকা প্রাপ্তিদের ভোগান্তিতে পড়তেও হচ্ছে না এবং তারা নিজ এলাকায় থেকেই করোনার টিকা নিতে পারছে। আমাদের উপজেলায় মোটামুটি এখন পর্যন্ত ৫৩ শতাংশ মানুষ করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছে।

Model Hospital

তিনি আরো জানান, ২৬ ফেব্রুয়ারী সরকারের ঘোষনা এক দিনে এক কোঠি করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার হবে। তারই ধারাবাহিকতায় ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে মোট ৫২ টিম দ্বারা এক যোগে করোনা টিকা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’