বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জমিয়তে উলাময়ে ইসলাম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ পিএম
চাঁদপুরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জমিয়তে উলাময়ে ইসলাম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

চাঁদপুরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জমিয়তে উলাময়ে ইসলাম নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়ে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

‎‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের ৫টি আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর তৃণমূল নেতৃবৃন্দ।
শনিবার দুপুরে চাঁদপুর প্রেসক্লাবে ইনসাফপূর্ণ আধুনিক চাঁদপুর বিনির্মানে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান উপস্থিত দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
‎মতবিনিময় সভায় জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুফতি সিরাজুল ইসলাম কাসেমীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন দলটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা লোকমান মাযহারী।
তিনি বলেন, বিএনপির মাধ্যমে ইসলামী মূল্যবোধ রক্ষা হবে। প্রকৃত ইসলাম ও একাত্তর বিরোধীদের দেশের মানুষ ভোট দিবে না।
ইসলাম ও দেশের স্বার্থে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে।
এছাড়াও সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী লায়ন হারুনুর রশিদ, চাঁদপুর-৫ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সলিম উল্ল্যা সেলিম, সহ দল দুটি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
জেলা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সহ অর্থ সম্পাদক মাওলানা আবুল বাশার, কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক মাওলানা নুর মোহাম্মদ কাসেমী, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মুফতি আরিফ বিল্লাহ কাসেমী, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক বাদশাহ, ধানমন্ডি জোন জমিয়তের আহবায়ক মাওলানা মোফাজ্জল বিন মাহফুজ, ফেনী জেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা তাহের সাঈদ, যুব জমিয়ত ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মঈনুদ্দিন মানিক, সমাজে সেবা সম্পাদক যুবনেতা মাওলানা ফাইয়াজ আব্দুল্লাহ, ছাত্র জমিয়তেরর কেন্দ্রীয় সাবেক সহ সভাপতি ও জেলা ছাত্র জমিয়তের সাবেক সেক্রেটারি মাওলানা সাব্বির আহমদ।
ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি কাউসার আহমাদ, জমিয়ত নেতা মাওলানা ফয়সাল বিন মাহফুজ, জেলা যুব জমিয়তের আহবায়ক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, সদস্য সচিব মাওলানা ইমরান সরকার, জেলা ছাত্র জমিয়তের আহবায়ক আশরাফ শাহিন, সদস্য সচিব নূরুল আমিন, মতলব উত্তর উপজেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল বাতেন মাজেীদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আনিসুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মাওলানা আক্তার হোসাইন।
শাহারাস্তি উপজেলা জমিয়তে সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জসিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি মাওলানা আনোয়ার, মাওলানা ফরিদ মাওলানা মোয়াজ্জেম মাওলানা মামুনুর রশীদ, মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা রিয়াজ আহমেদ, মাওলানা ওসমান, মাওলানা তৈয়বুর রহমান, ছাত্র জমিয়ত মতলব উত্তর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি হাফেজ আল আমিন, রাকিব হাসান, শাহাদাত হোসেন, নাজমুল হাসান প্রমুখ।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।