বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে সাংবাদিকের বাসায় দুঃসাহসিক চুরি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
মতলব উত্তরে সাংবাদিকের বাসায় দুঃসাহসিক চুরি
চাঁদপুরের মতলব উত্তর প্রেসক্লাবের দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম রানার ভাড়া বাসায় দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নগদ অর্থ ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার খোয়া গেছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম (৪৭) জানান, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা তার বাসায় চুরির ঘটনা ঘটায়।
তিনি কাজের প্রয়োজনে বাসার বাইরে ছিলেন এবং তার স্ত্রী বাসার সাধারণ লক দিয়ে নিচে নামেন। সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ছেংগারচর পৌর ভবন সংলগ্ন মিন্টু ভবনের ৪র্থ তলার দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে।
চোরেরা বাসায় থাকা স্টিলের আলমারির তালা ভেঙে ভেতরে রাখা নগদ ৩৯ হাজার টাকা এবং কাঠের ওয়ারড্রোবের ড্রয়ার ভেঙে ৫ ভরি ৮ আনা ওজনের স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে চোরাই মালামালের মোট মূল্য প্রায় ১১ লাখ ১৯ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকের স্ত্রী বাসায় ফিরে এসে ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে সংবাদ পেয়ে সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম দ্রুত বাসায় ফিরে এসে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন।
সাংবাদিক সফিকুল ইসলাম রানা জানান, আমি পেশাগত কাজে বাইরে থাকায় এই সুযোগে চোরেরা বাসায় ঢুকে আমার পরিবারের কষ্টার্জিত টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে। এতে আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
ঘটনার পর স্থানীয়রা জানান, ছেংগারচর এলাকায় সম্প্রতি চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
খবর পেয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, চুরির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে।
উল্লেখ্য, এর আগেও একই উপজেলায় সাংবাদিকদের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। দৈনিক সংবাদ সারাবেলা পত্রিকার মতলব প্রতিনিধি ও মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক তুহিন ফয়েজের বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে গত ৩০ ডিসেম্বর।
তিনি সেদিন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় যান। পরে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে বাড়ি ফিরে দেখতে পান এখলাছপুর ইউনিয়নের এখলাসপুর (কালীতলা) গ্রামের তার বাড়ির দরজার তালা ভাঙা, ঘরের আসবাবপত্র এলোমেলো এবং স্টিলের আলমারির তালা ভেঙে একটি ক্যামেরা, কিছু নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র চুরি হয়ে গেছে।
পরপর দুই সাংবাদিকের বাড়িতে চুরির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital