বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর–৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে অসন্তোষ

সাইফুল ইসলাম সিফাত প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
চাঁদপুর–৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা ঘিরে অসন্তোষ

চাঁদপুর–৫ (হাজীগঞ্জ–শাহরাস্তি) আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের প্রার্থী হিসেবে ড. নেয়ামুল বশিরের নাম ঘোষণার দাবি সামনে আসার পর স্থানীয় পর্যায়ে বিভ্রান্তি ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে।

দীর্ঘদিন ধরে এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইন মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন। তিনি হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি এলাকায় নিয়মিত সভা–সমাবেশ, মতবিনিময় ও সাংগঠনিক তৎপরতা চালিয়ে আসছেন। এমন পরিস্থিতিতে ড. নেয়ামুল বশিরের ফেসবুক পোস্ট নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণে প্রশ্ন তুলেছে।

সম্প্রতি ড. নেয়ামুল বশির তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে দাবি করেন, তিনি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোট থেকে চাঁদপুর–৫ আসনের একক প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। পোস্টে যুক্ত ছবির কোলাজে তাকে একটি সংবাদ সম্মেলনে কয়েকজন নেতার সঙ্গে দেখা যায়, যা জোটগত সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
এই ঘোষণার পর থেকেই হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তির বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘদিনের পরিচিত প্রার্থী মাওলানা আবুল হোসাইনের সমর্থকদের মধ্যে দেখা দেয় প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলার জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, ড. নেয়ামুল বশিরের দাবির বিষয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না। জোটের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক নির্দেশনা এখনো তাদের কাছে পৌঁছায়নি বলে জানান তারা।

Model Hospital

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, হয়তো জোটের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ের সমন্বয়ে ঘাটতি রয়েছে, অথবা আসন ভাগাভাগি নিয়ে জোটের ভেতরে এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।

চাঁদপুর–৫ আসনের নির্বাচন এ কারণে এখন জটিল ও অনিশ্চিত সমীকরণের দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে এই আসনে চূড়ান্ত নির্বাচনী চিত্র।

স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ এখনো স্পষ্ট অবস্থানের অপেক্ষায় রয়েছে। জোটগত ঐক্য ও তৃণমূল পর্যায়ের সমর্থন ধরে রাখা আগামী দিনে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।