বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়ায় চাঁদপুরকে তুলে ধরতে ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ নামে থিম সং

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ পিএম
অস্ট্রেলিয়ায় চাঁদপুরকে তুলে ধরতে ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ নামে থিম সং
বিশ্বের বুকে ইলিশের বাড়ী প্রিয় চাঁদপুর কে তুলে ধরার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত এক ঝাক চাঁদপুরের কৃতি সন্তান চাঁদপুরবাসীদের প্রিয় সংগঠন চাঁদপুর এসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া নামক একটি সংগঠন গড়ে তুলেছেন। সেই সংগঠনটির অভিষেক আজ শনিবার (২৪ শে জানুয়ারি) সুদূর অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এ উপলক্ষে চাঁদপুর শহরের বকাউল বাড়ি রোডের(ভূইয়া মঞ্জিলে) বসবাসরত চাঁদপুরের এক কৃতি সন্তান আরমান হোসেন ভূইয়া তার নিজের লেখায় ও সুরে একটি অফিসিয়াল থিম সং প্রকাশ করেছেন।
যার শিরোনাম দেয়া হয়েছে  “ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর”।
এই নতুন গানটি সংগঠনের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য সঙ্গীতায়োজন।
গানটির লেখক, গীতিকার ও সুরকার হলেন “চাঁদপুর এসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া” এই সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি আরমান হোসেন ভূঁইয়া (লাভলু)।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও নিজ জেলা চাঁদপুরের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকেই তিনি এই গানটি রচনা ও সুর করেছেন। গানটি তিনি নিজেই প্রযোজনা করেছেন।
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন এই প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী অয়ন চাকলাদার—যিনি চলচ্চিত্রের সুপারহিট গান “চল নিরালায়”–এর জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত—এবং তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়েছেন মিষ্টি কণ্ঠের তরুণী গায়িকা ঈশিকা।
গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ মিউজিসিয়ান কাউছার খান।
গানের ভিডিও নির্মাণ, কালার গ্রেডিং ও এডিটিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন মাসুম খান। পোস্টার ডিজাইন করেছেন ইমন জিএফএক্স। গানটি প্রকাশিত হয়েছে এবি এন্টারটেইনমেন্ট–এর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে।
আরমান হোসেন ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা গানের জগতে সক্রিয়। এ পর্যন্ত তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় গান লিখেছেন ও সুর করেছেন। তার লেখা ও সুরে গান গেয়েছেন—আগুন, অবন্তী সিঁথি, মাহতিম সাকিব, সজীব, তৃষা, রোজেন রহমান, মির্জা নিশাত, সাথী খান, সাগর, মোহাম্মাদ মিলন, শিমুল হাসান, গগন, মিলা, পড়শি, মৌমিতা, তৌসিফসহ আরও অনেক খ্যাতনামা শিল্পী। এছাড়াও তার লেখা গান বিভিন্ন বাংলা নাটক ও চ্যানেলে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি একাধিকবার অমর একুশে বইমেলায় কবিতার বই প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রায় একযুগের বেশি সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করলেও বাংলা সংস্কৃতি ও সাহিত্যকে হৃদয়ে লালন করে প্রবাসে থেকেও নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন গান ও সুর।
“ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর” গানটি তিনি চাঁদপুরবাসীসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সকল চাঁদপুরিয়ান এবং চাঁদপুর এসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্যদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
এই গানটি প্রবাসে থেকেও নিজ জেলার প্রতি ভালোবাসা, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের এক সার্থক সঙ্গীতায়োজন হিসেবে ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital