বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সুফিবাদী সমাজ কায়েমে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিন : আহসান উল্লাহ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
সুফিবাদী সমাজ কায়েমে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিন : আহসান উল্লাহ

চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড ও তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে গণসংযোগ করছেন মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ।

চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দিনভর তিনি গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি জনগণকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আউলিয়ায়ে কেরামের আদর্শে সুফিবাদী সমাজ কায়েমে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোমবাতি মার্কায় ভোট দিতে আহ্বান জানান।

মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ শনিবার দিনের শুরুতে চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ শুরু করেন। চেয়ারম্যানঘাট জিটি রোড এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু হয়। প্রার্থীর সাথে দলের নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় কিছু জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে গণসংযোগে অংশ নেয়। প্রার্থী আহসান উল্লাহ ‘চাঁদপুর ও হাইমচর নিয়ে উন্নয়ন ভাবনা’ শিরোনামে তাঁর নির্বাচনী লিফলেট জনগণের হাতে তুলে দেন। যেখানে রয়েছে চাঁদপুর-হাইমচরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা এবং পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেয়াসহ নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা। এ সময় তিনি বলেন, দল মত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে চাঁদপুরকে গড়ে তোলা হবে। যেখানে থাকবে সম্প্রীতির বন্ধন। দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখল, মব সন্ত্রাস, মাদক এসব সকলে মিলে প্রতিরোধ করতে হবে। দল-মত যাই থাকুক এসব সামাজিক অপরাধ ও অনাচারের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।

১৫নং ওয়ার্ডের জিটি রোড, বিষ্ণুদী রোডসহ প্রতিটি মহল্লা এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নের তেঁতুলতলা, কাশিমবাজার, আনন্দ বাজারসহ আরও বেশ কিছু এলাকায় গণসংযোগ করা হয়। এসব এলাকার বাজার, দোকানপাট ছাড়াও কিছু বাড়িতে গিয়ে মা-বোনকে মোমবাতিতে ভোট দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

Model Hospital

মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহর সাথে দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চাঁদপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রউফ, সদর উপজেলার সভাপতি মাওলানা আব্দুল হান্নান নিজামী, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গাজী আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা গাজী আব্দুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্নাফ তালুকদার, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম মামুন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চাঁদপুর সদর উপজেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।