বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জনগণের ভোটের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতা আসবে : ড. আনম এহছানুল হক মিলন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
জনগণের ভোটের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতা আসবে : ড. আনম এহছানুল হক মিলন

কচুয়ায় বাজার পরিচালনা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির মনোনীত ধানের শীর্ষের প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলনের সাথে কচুয়া বাজার ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে কচুয়া বাজারের পল্টন ময়দানে বাজার পরিচালনা কমিটির আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন,বিএনপি আল্লাহর রহমতে জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা আসবে এবং দেশ পরিচালনা করবে। একদল যারা জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছেন,তাদের পক্ষে থেকে ক্ষমতা যাওয়া কোন অবস্থাতাই সম্ভব না। আমি এমপি ও মন্ত্রী থাকাকালীন কচুয়াতে কারো বিরুদ্ধে কোন মিথ্যা মামলা হয়নি। আমাকে অনেক বার মিথ্যা মামলা দিয়ে বছর পর বছর জেলখানায় নিয়ে মানসিক ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকার আমলে আমাকে কয়েকবার হত্যা করার জন্য পরিকল্পনা করেছে, আল্লাহ রহমতে বাবা-মা ও আপনাদের দোয়া আমি বেঁচে আছি। আমি কোন প্রতি হিংসা ও ক্ষোভ আক্রমণাত্মক রাজনীতি করিনা। আমি কচুয়া মানুষের ভালোবাসা নিয়ে কাজ করতে চাই। আমি মিলন থাকলে কচুয়াতে কোন প্রশাসন দুর্নীতি করতে পারবে না। আমার নেতাকর্মীরা কোন অন্যায় বা অপরাধ কাজে সম্পৃক্ত হতে পারবে না। কচুয়াতে চাঁদাবাজি, জুলুম ও অত্যাচারীদের ঠাঁই দেয়া হবে না।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন,যারা দুষ্ট আওয়ামী লীগ অন্যান্য অত্যাচার, চাঁদাবাজি করেছে তারা সবাই পালিয়ে গেছে। যারা অত্যাচার করে না, আওয়ামী লীগ সমর্থিত ছিলো তারা এখন আছে,তাদের কিছু হবে না। আমি এহছানুল হক মিলন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর কচুয়া কোন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীকে থাকতে দিবো না।

কচুয়া বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও পৌর বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামালের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ খায়রুল আবেদীন স্বপন, উপজেলা বিএনপির প্রধান সমান্বনয়ক শাহ জালাল প্রধান, পৌর সাবেক মেয়র হুমায়ুন কবির প্রধান, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেন মজুমদার, বিএনপি নেতা অধ্যাপক আব্দুল ওয়াদুদ মজুমদার, কচুয়া বাজারে ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম, শাহজাহান তালুকদার প্রমুখ।

এসময় উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, কচুয়া বাজার ব্যবসায়ী, বিএনপির সমর্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।