বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মোমবাতি মার্কায় ভোট দিলে চরের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন হবে : আহসান উল্লাহ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৭ এম
মোমবাতি মার্কায় ভোট দিলে চরের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন হবে : আহসান উল্লাহ

হাইমচরের বিচ্ছিন্ন এক জনপদ নীলকমল ইউনিয়নের মেঠোপথ মাড়িয়ে এভাবেই সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যান মোমবাতির প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ।

চাঁদপুর-৩ আসনে বৃহত্তর সুন্নী জোট সমর্থিত ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন।

সম্প্রতি তিনি নীলকমল ইউনিয়নের ৬, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এসব ওয়ার্ডের মাঝিরবাজার, সিকদারটেক, মধ্যচর বাজার ও সাহেবগঞ্জ বাজার এবং এর আশপাশের গ্রামে গণসংযোগ করেন। গ্রামীণ মেঠো পথ ধরে তিনি মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন নির্বাচনে মোমবাতি মার্কায় ভোট চান। নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি মোমবাতি মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেন।

গণসংযোগকালে চরাঞ্চলের মানুষের মানবেতর জীবনযাপন দেখে তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। যে মানুষগুলো মৌলিক চাহিদা থেকে আজীবন বঞ্চিত হয়ে আসছে। এই মানুষগুলোর ভাগ্যে সুচিকিৎসা তো দূরের কথা নূন্যতম চিকিৎসাও জুটে না। শিক্ষারও নাই কোনো ব্যবস্থা। প্রাইমারির গণ্ডিও অনেক শিশু পার করতে পারে না শিক্ষার সুযোগ সুবিধার অভাবে। নাই কোনো হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্র।

নাই কোনো মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক লেভেলে শিক্ষা গ্রহণের কোনো সুযোগ। এভাবেই তারা মৌলিক অধিকার সমূহের অন্যতম শিক্ষা ও চিকিৎসা থেকে আজীবন বঞ্চিত হয়ে আসছে। শিক্ষার অভাবে মেয়েদের প্রাইমারির গণ্ডিতে থেকেই বিয়ে হয়ে যায় আর ছেলেরা ১২, ১৩ বছর থেকেই শারীরিক পরিশ্রমের উপার্জনে চলে যায়।

Model Hospital

জরুরি এবং জটিল কোনো অসুখ বা অসুস্থ হলে চিকিৎসা নিতে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর আসতে হয়। অথচ সরকার আসে আর যায়, তাদের এমন মানবেতর জীবনযাপনের অবস্থার পরিবর্তন ঘটে না। চরাঞ্চলের সহজ সরল মানুষগুলোকে শুধু আশ্বাসের বাণীই শুনিয়ে গেছে বিগত সরকারগুলো। মনের দিক থেকে এসব সোনার মানুষগুলোর সাথে করেছে শুধু প্রতারণা। অথচ সমন্বিত উদ্যোগে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেয়া হলে চরের মানুষদের এসব দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তি দেয়া যেতো। তিনি ভবিষ্যতে চরের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। আর এই লক্ষ্যে মোমবাতি মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

গণসংযোগকালে তাঁর সাথে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত, ইসলামী ফ্রন্ট, ছাত্রসেনা ও যুবসেনার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।