শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

জনকল্যাণভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ধানের শীষে ভোট চাইলেন ইঞ্জিঃ মমিনুল হক

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৪০ এম
জনকল্যাণভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ধানের শীষে ভোট চাইলেন ইঞ্জিঃ মমিনুল হক
একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও জনকল্যাণমুখী নতুন বাংলাদেশ গড়তে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপি সমর্থিত জোটকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ–শাহরাস্তি) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) শাহরাস্তি উপজেলার সুচিপাড়া উত্তর ইউপির শোরসাক ও সুচিপাড়া বাজার এবং সুচিপাড়া দক্ষিণ ইউপির  দিকদাইর ও নরিংপুর এলাকায় আয়োজিত একাধিক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার  মমিনুল হক বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নারীরা সবচেয়ে বেশি সুফল পাবেন। ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো ধরনের তদবিরের প্রয়োজন হবে না। বর্তমানে যারা সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা পাচ্ছেন, তারা তা অব্যাহতভাবে পাবেন। প্রকৃত কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে কৃষি কার্ড। পাশাপাশি ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য সম্মানজনক ভাতা চালু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও বিএনপি কখনো প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জোরপূর্বক দোকান দখল কিংবা দরবারের নামে চাঁদাবাজির সংস্কৃতি বন্ধ করা হবে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনেরা নিজেদের জমিজমা অন্যের কাছে বিক্রি না করে নিজেদের মধ্যেই সমস্যা সমাধান করবেন। বিএনপির শাসনামলে সবাই নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে বসবাস করবেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত হলে তিনি জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে নিরলসভাবে কাজ করবেন।
পথসভাগুলোতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আয়েত আলী ভূঁইয়া, শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. মোস্তফা কামাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান পাটওয়ারী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়াজী, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল করিম মিনার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাহেদুল হক মজুমদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবিএম পলাশ ও সদস্য সচিব আজগর হোসেন মিয়াজী,পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা আলী হোসেন মন্টু, জালাল আহমেদ খোকন, আলী আকবর বেপারী, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, তাফাজ্জল হোসেন, শাহাদাত হোসেন মাস্টারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরাসহ সনাতন ধর্ম অবলম্বীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital