বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দৈনিক নয়া প্রভাতের হেড অব মাল্টিমিডিয়া হিসাবে যোগ দিলেন রিয়াজ শাওন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৬ পিএম
দৈনিক নয়া প্রভাতের হেড অব মাল্টিমিডিয়া হিসাবে যোগ দিলেন রিয়াজ শাওন
জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল নাইনের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি, তরুণ সাংবাদিক, লেখক ও কনটেন্ট নির্মাতা রিয়াজ শাওন এবার যোগ দিয়েছেন দৈনিক নয়া প্রভাতের হেড অব মাল্টিমিডিয়া হিসেবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) চাঁদপুর শহরের দৈনিক নয়া প্রভাত পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রধান সম্পাদক কাদের পলাশ ও নির্বাহী সম্পাদক এইচএম নিজাম তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সংবাদ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
রিয়াজ শাওন দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুরে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতা করছেন। তিনি দৈনিক “শপথ” পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল RKnews71–এর ডেস্ক ইনচার্জ হিসেবেও কাজ করছেন। সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা ও উপস্থাপনায় তার দক্ষতা ইতোমধ্যেই সহকর্মী ও পাঠকমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি রিয়াজ শাওন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও পরিচিত মুখ। তার পরিচালিত জনপ্রিয় ফেসবুক পেজ “চাঁদপুরীয়ান” চাঁদপুরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পর্যটন সম্ভাবনা এবং স্থানীয় মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ নানা গল্প নিয়মিত তুলে ধরে। তথ্যসমৃদ্ধ ও ভিজ্যুয়ালভিত্তিক এই কনটেন্ট তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
রিয়াজ শাওন নয়া প্রভাত নিয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “নয়া প্রভাত একটি তরুণমুখী ও উদ্ভাবনী পত্রিকা হিসেবে চাঁদপুরের সংবাদ পরিবেশকে নতুন মাত্রা দেবে। আমি ডিজিটাল ও মাল্টিমিডিয়ার সম্পূর্ণ সুবিধা ব্যবহার করে কেবল লেখা নয়, ছবি, ভিডিও, তথ্যচিত্র এবং গ্রাফিক্সের মাধ্যমে সংবাদকে আরও প্রাণবন্ত ও পাঠকবান্ধব করে উপস্থাপন করবো। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাঠকরা যেকোনো সময়ে সংবাদ এবং তথ্য সহজেই পাবেন, ফলে চাঁদপুরের বাস্তব সমস্যা, উন্নয়ন উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের জীবন ঘনিষ্ঠ কাহিনী দ্রুত ও সঠিকভাবে পৌঁছাবে।”
স্থানীয় সাংবাদিক মহলের মতে, মাঠপর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতা এবং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির দক্ষতার সমন্বয় রিয়াজ শাওনকে আলাদা করেছে। ফলে দৈনিক নয়া প্রবাদ মাল্টিমিডিয়া শাওনের হাত ধরে চাঁদপুরের সংবাদ আরও দ্রুত, বস্তুনিষ্ঠ ও প্রাণবন্তভাবে উপস্থাপিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যক্তিগত জীবনে রিয়াজ শাওন চাঁদপুর সদর উপজেলার শাহমাহমুদপুর এলাকার বাসিন্দা। ছোটবেলা থেকেই লেখালিখি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক কাজে যুক্ত তিনি। সাংবাদিকতায় তার এই অগ্রযাত্রা চাঁদপুরের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বলেও মনে করছেন অনেকে।
উল্লেখ্য, ২ ফেব্রুয়ারি চাঁদপুর প্রেসক্লাবে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাজারে আসছে দৈনিক নয়া প্রভাত।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।