রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

নির্বাচিত হলে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ভর্তুকি দেয়া হবে :  আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
নির্বাচিত হলে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ভর্তুকি দেয়া হবে :  আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন

কচুয়ায় জগতপুর বাজারে পথসভায় অতিথির বক্তব্য রাখছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কচুয়ায় বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ড. এহছানুল হক মিলনের পথসভায় ভোটারদের সবর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। পথসভায় অংশ নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারী ভোটারদের কাছে ধানের শীষে ভোট চেয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ধানের শীষের প্রার্থী ড. আনম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী আশ্রাফপুর ইউনিয়নের আশ্রাফপুর পোড়া বাড়ি, পনশাহি, মাসনিগাছা, উত্তর আশ্রাফপুর বিদ্যালয় সংলগ্ন, চাঙ্গিনী ও জনগতপুর গ্রাম সহ ওই ইউনিয়নের ০৬টি পয়েন্টে নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সাথে মতবিনিমিয় করেন তিনি।

এসময় তিনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও ভোগান্তির কথা শুনেন ভোটারদের কাছ থেকে। জগতপুর বাজারে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য প্রদান কালে তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না। যারা বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র চায়নি তাদের কি কোন অধিকার আছে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার। আমার কোন মেয়ে বোনকে ইভটিজিং করা চলবে না।

আগামী দিনে কৃষকদের জন্য ভর্তুকি দেয়া হবে, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের মূল্যের চেয়ে বাজার মূল্যে কম হলে সরকার ওই কৃষকদের ভর্তুকি দিবে। তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আমি এমপি হয়েছিলাম আপনাদের ভোটে। নকল প্রতিরোধ করেছিলাম। বেগম খালেদা জিয়া উপৃবৃত্তি দিয়েছিল। এবার তারেক জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলে ডিগ্রি পর্যন্ত আপনাদের ছেলে মেয়েদের উপবৃক্তি দেয়া হবে। আগামী দিনে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী চান ? মিলনকে এমপি চান ?। ধানের শীষে ভোট দিলে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর থাকবে না।

Model Hospital

এসময় সাধারণ জনগনের মাঝে একধরনের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। এসময় ভোটারদের মুখে স্লোগান শুনা যায়-মিলন ভাই ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি নাই। ১২ তারিখ সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন। ধানের শীষে ভোট দিলে কচুয়ার জনগনের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। দল মত নির্বশেষে সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি প্রমান করে ধানের শীষে প্রার্থী ড. মিলন এগিয়ে।

এসময় উপজেলা বিএনপির প্রধান স্বমন্বয়ক শাহজালাল প্রধান, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ এলাহী সুভাষ, সহ-সভাপতি আজিজ মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল ও ছাত্রদলসহ সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও ভোটারগণ উপস্থিত ছিলেন।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।