রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

দাঁড়িপাল্লা ন্যায়-ইনসাফ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক : শাহজাহান মিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৮ পিএম
দাঁড়িপাল্লা ন্যায়-ইনসাফ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক : শাহজাহান মিয়া

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-৩ (সদর–হাইমচর) আসনে ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লার সংসদ সদস্য প্রার্থী ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান মিয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক করেছেন।

০৬ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নং মডেল লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও ওয়ার্ডে তিনি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের সমর্থন কামনা করেন।

গণসংযোগকালে বক্তব্যে অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেন, দাঁড়িপাল্লা শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়-ইনসাফ, সততা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক। এ দেশের মানুষ আর দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্য চায় না।

তিনি আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে গেলে আমি চাঁদপুর-৩ আসনকে দুর্নীতিমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

Model Hospital

উঠান বৈঠকে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “এই নির্বাচন শুধু একজন প্রার্থী নির্বাচনের নয়, এটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে আপনারা দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

কর্মসূচিতে সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা জজকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী, সাবেক জিপি ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট শেখ আবু মোঃ সালেহ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষা অনুরাগী আব্দুস শুক্কুর মোস্তান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব তামিম খান, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক মোঃ নোয়াইম এবং চাঁদপুর পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ড যুব বিভাগের সভাপতি তুহিন আহমেদ মাইনু।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ১০ নং মডেল লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ কবির হোসাইন খান, ইউনিয়ন সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন খান, ইউনিয়ন সেক্রেটারি এনামুল কবিরসহ ইউনিয়ন জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা প্রার্থীকে ঘিরে পথসভা ও গণসংযোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানান।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।