রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

নির্বাচিত হলে ইব্রাহিমপুরে ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করব : হাতপাখার প্রার্থী জয়নাল আবেদিন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
নির্বাচিত হলে ইব্রাহিমপুরে ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করব : হাতপাখার প্রার্থী জয়নাল আবেদিন
ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থী শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদীন ব্যাপক নির্বাচনী উঠান বৈঠক,গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন।
শুক্রবার (৬জানুয়ারি) সকাল থেকে চাঁদপুর সদর উপজেলার ১১নং ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে হাতপাখা মার্কার ব্যাপক গণসংযোগ,পথসভা ও উঠান বৈঠক করেন।
উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ চরাঞ্চলের মানুষ বেশ কয়েকটি সমস্যায় ভুগছেন।তারমধ্যে অন্যতম মৌলিক সমস্যা শিক্ষা, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। এখানে মানসম্মত কোনো হাসপাতাল নেই,রাস্তা ঘাট অনুন্নত এবং উচ্চমাধ্যমিক কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই।ফলে এসএসসি পাশের পর বহু শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়।কেউ কেউ পড়াশোনার জন্য ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে চাঁদপুরে যেতে হয়। আমি নির্বাচিত হলে এঅঞ্চলে একটি ডিগ্রী পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো। এবং জনদুর্ভোগ কমাতে এখানে মানসম্মত একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করবো।
তিনি আরও বলেন ইব্রাহিমপুর চাঁদপুর সদরের অংশ। প্রত্যেকটা ইউনিয়নে সমান বরাদ্দ আসে।দুর্নীতি ও সুষম বন্টনের অভাবে এখানকার মানুষ বঞ্চিত হয়।যেই তুলনায় বাজেট আসে তার সিকিভাগও কাজ হয়না।যার ফলে এখানকার মানুষ বিভিন্ন মৌলিক অধিকার থেকে দীর্ঘদিন বঞ্চিত হয়ে আসছে। ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে এসব মৌলিক সমস্যার অবসান ঘটবে।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুফতি মানসুর আহমেদ, সদর উপজেলা সভাপতি ডা.বেলাল হোসেন,সেক্রেটারী মজিবুর রহমান,জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা আল আমিন, ইসলামী যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা ইমরান মিয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহম্মেদ,সদর উপজেলা সভাপতি নাসির উল্লাহ বাহাদুর সাধারণ সম্পাদক বায়জিদ সহ ইসলামী আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটির দায়িত্বশীলবৃন্দ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।