রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জের রূপসায় ধানের শীষের সমর্থনে পথসভা ও র‌্যালিতে

যখন যিনি দলের দায়িত্বে আসেন, তখনই তিনি এর কর্ণধার হন : সৈয়দ মেহেদী হাসান চৌধুরী

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩৮ পিএম
যখন যিনি দলের দায়িত্বে আসেন, তখনই তিনি এর কর্ণধার হন : সৈয়দ মেহেদী হাসান চৌধুরী

ফরিদগঞ্জের রূপসা উত্তর ইউনিয়নে ধানের শীষের পথসভায় বক্তব্য রাখছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ মেহেদী হাসান চৌধুরী।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের বিএনপির প্রার্থী তথা ধানের শীষের সমর্থনে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে পথসভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকালে ঘোড়াশালা গ্রামে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রবিউল ইমাম বাবুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও রূপসা জমিদার পরিবারের সদস্য সৈয়দ মেহেদী হাসান চৌধুরী।
তিনি বলেন, ধানের শীষ বিএনপির প্রতীক। এটি কোন ব্যক্তির প্রতীক না। যখন যিনি দলের দায়িত্বে আসেন, তখনই তিনি এর কর্ণধার হন। বতর্মানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান ধানের শীষের কান্ডারি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফরিদগঞ্জ আসনের কান্ডারি হিসেবে লায়ন মো. হারুনুর রশিদকে পাঠিয়েছেন। ফলে লায়ন হারুন আমাদের প্রতীক ধানের শীষের ধারক ও বাহক। মা বোনরা আপনারা সকলে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে অনেক ভালোবাসেন। তাই তাঁর দল ও প্রতীক ধানের শীষের সম্মান রক্ষার্থে নিজেরা ধানের শীষে ভোট দিবেন এবং একেক জন ধানের শীষের বাহক হয়ে ঘরে ঘরে ধানের শীষের জন্য ভোট প্রার্থনা করুন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণ এর সদস্য ইসমাইল তালুকদার খোকন বলেন, দল যদি হান্নান সাহেবকে যোগ্য মনে করতো, তাহলে তিনিই দলীয় মনোনয়ন পেতেন। আমরাও তাঁর হয়ে নির্বাচন করতাম। কিন্তু দলের কাণ্ডারি লায়ন হারুন । ফলে তাঁর জন্য আমরা ধানের শীষের হয়ে কাজ করছি। কিন্তু দলের প্রার্থী না হয়ে যিনি দলের বিপক্ষে কাজ করছেন , তার পক্ষে যারা কাজ করছেন, তারা বিএনপির কেউ না। তাদের কথায় বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক নেতা মিনহাজের পরিচালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি নেতা আমির হোসেন নফর মুন্সি, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্মআহ্বায়ক ফারুক খান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা ভুট্টো পাঠান প্রমুখ।

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০০ এম
হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ‘ভাটরার জাউরা’ নামে পরিচিত একটি কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো.শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। আহত শুকুর আলম ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তারেককে মারধর করা হলে তার চিৎকার শুনে শুকুর আলম এগিয়ে আসেন। এ সময় তাকেও মারধর করা হয় এবং গাছের গুঁড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটরা গ্রামের মেহেদী, জিসান মোল্লা, শাহিন ও শাওন এবং সৈয়দপুর গ্রামের ইউসুফ, সাব্বির, আহসান ও সিয়ামসহ কয়েকজন এ হামলায় জড়িত।

Model Hospital

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারেক স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি-‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, চুরি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও তাদের হামলায় ইউপি সদস্য মো. ইসমাঈল হোসেনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, এর আগে গ্রুপটির কয়েকজন সদস্য ও তাদের অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও এমন ঘটনা ঘটেছে। কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।